বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে ১০.৬৫ শতক পৈতৃক জমি নিয়ে আদালতের রায় ও স্থগিতাদেশের মারপ্যাঁচে মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে দুটি পরিবার। বিরোধের জেরে একপক্ষ থানায় দেয়াল ভাঙচুরের নালিশ দিয়েছে, অন্যপক্ষ এনেছে ১২ ফুট উঁচু প্রাচীর দিয়ে ‘গৃহবন্দী’ করার পাল্টা অভিযোগ।
অভিযোগে ১ম পক্ষের খায়রুল আলম জানান, জেলা জজ আদালতের ডিক্রি মূলে তিনি প্রাচীর নির্মাণ করলে গত ৫ জুন প্রতিপক্ষ মামুন ও সুলতানা পারভীন তা ভেঙে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন।
পাল্টা অভিযোগে সুলতানা পারভীনের দাবি, হাইকোর্টের ‘স্থিতাবস্থা’ (Status Quo) আদেশ অমান্য করে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি খায়রুল আলম জোরপূর্বক ১২ ফুট উঁচু প্রাচীর তুলে তাঁদের যাতায়াতের একমাত্র পথ বন্ধ করে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন।
এ বিষয়ে সারিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন,উভয় পক্ষের লিখিত অভিযোগ ও আদালতের নথিপত্র পর্যালোচনা করে আইন- শৃঙ্খলা রক্ষায় দ্রুতই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মোঃ মনিরুজ্জামান জাহিদ