গোলাম রব্বানী শিপন, বগুড়া প্রতিনিধিঃ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন শেষে সুবিধাভোগী ৪৯৬ নারীদের মাঝে পৌঁছে গেল টাকা। অন্যান্য উপজেলার ন্যায় বগুড়ার শাখারিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোপালবাড়ি এলাকায় এ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রাজধানী ঢাকায় ফ্যামিলি কার্ডের প্রথম ধাপের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে বগুড়ায় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান উদ্বোধন শেষে এই ফ্যামিলি কার্ড উপকার ভোগীদের মাঝে বিতরণ করেন। প্রাথমিক পর্যায়ে সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের গোপাল বাড়িতে ৪৯৬ জনকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়। এছাড়াও আরো কয়েকজনকে এই কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। সর্বমোট ফ্যামিলি কার্ডের অধিকারী হবেন ৮৬৮ জন। বাকিদের পর্যায়ক্রমে দিয়ে দেওয়া হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার পর অধিকাংশ অস্বচ্ছ পরিবার আনন্দিত। ‘সবার আগে স্বাবলম্বী পরিবার, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে তারেক রহমানের 'ফ্যামিলি কার্ড' নিয়ে তৈরি করা প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনও করা হয়। এতে দেখা যায় হতদরিদ্র পরিবারে এক নারীর অভাব আর সংগ্রামের নিদারুণ কষ্টের মাঝে স্বস্তির বার্তা নিয়ে হাজির হয় বিএনপি সরকারের দেয়া 'ফ্যামিলি কার্ড'। এসময় বেশকিছু সুবিধাভোগী নারীরা জানান, সরকারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া ফ্যামিলি কার্ড এ যেন স্বপ্ন। বাস্তবে হাতে পেয়েছি ভাবতেই পারছি না। তারা তারেক রহমানের দেওয়া এই ফ্যামিলি কার্ড পরিবারের অভাব অনাটন ঘুচতে অনেক কাজে দেবে বলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বগুড়া জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান, উপকারভোগী বাছাইকৃত নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন। এসময় তিনি বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ প্রান্তিক পর্যায়ের নারীদের জন্য। ইতিমধ্যে সকালেই সবার মোবাইলে টাকা পৌঁছে গেছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াজেদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদ-উন নবী সালাম সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদটি কপিরাইট ফ্রি করে একজন অভিজ্ঞ সাংবাদিকের মতো আকর্ষণীয় শিরোনাম দিয়ে নিউজটি তৈরী করে দাও
সময়ের সংবাদ