গোলাম রব্বানী শিপন, বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ার সদরের গোকুলে দুর্বৃত্ত কর্তৃক এক স্কুল ছাত্রকে মারপিট ও জোরপূর্বক চেতনানাশক দ্রব্য সেবনে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে বগুড়া সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সদরের গোকুল ইউনিয়নের রামশহর মধ্যপাড়া গ্রামের বেলাল হোসের পুত্র শামীম হোসেন (৩৭) এর ভাই আইনুল হক এর পুত্র ভাতিজা গোকুল তছলিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেনীর বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র দেলোয়ার হোসেন নয়ন (১৭)। তার ভাতিজা দেলোয়ার হোসেন নয়ন গত ২৪ মার্চ বিকাল আনুমানিক ৩টায় একই ইউনিয়নের বোরহান গেই এলাকায় আত্মীয়ের বাড়ী ঈদ পরবর্তী দাওয়াত খেতে যায়। খাওয়া-দাওয়া শেষে সে বিকাল ৫টায় তাহার ব্যবহৃত মোবাইল তার মায়ের কাছে রেখে মহাস্থান জাদুঘর এলাকায় ঘুরতে যায়। এরপর সম্ভাব্য সময়ে সে ফিরে না আশায় পরিবারের লোকজন দুশ্চিন্তায় পড়েন।
পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করেও তার কোন সন্ধান পায় না। একপর্যায়ে রাত ১০টার দিকে গোকুল কেন্দ্রীয় ঈদগাঁ মাঠ সংলগ্ন মহাসড়কের সামনে কতিপয় এক অটোচালক অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে নয়নকে টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান। সংবাদ পেয়ে পরিবারের লোকজনসহ দ্রুত উক্ত হাসপাতালে গিয়ে তাকে শনাক্ত করে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পায়। এসময় তার অবস্থা আশংকাজনক হলে সেখান থেকে রেফার্ড করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। শামীম বলেন, আমার ভাতিজা বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। আমাদের ধারনা গত ইং ২৪/০৩/২০২৬ তারিখ বিকাল অনুমান ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে যেকোন সময় দুর্বৃত্তরা আমার ভাতিজাকে নেশা জাতীয় চেতনানাশক দ্রব্য দ্বারা অচেতন করে মারপিট করে উল্লেখিত স্থানে ফেলে যায়। এঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনে হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সময়ের সংবাদ