গোলাম রব্বানী শিপন, বগুড়াঃ বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের ভরিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের প্রায় ৪ যুগ আগের কবলাকৃত ৫৪ শতক আবাদি জমি- রাতের আধারে জবর দখল করে জোরপূর্বক (এস্কেভেটর) ভেকু দ্বারা মাটি বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী কৃষক শিবগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের ভরিয়া মৌজার- তফশীল সম্পত্তির জেএল নং- ১৭৬, সিএস খতিয়ান নং- ২৯৩, এম আর আর খতিয়ান নং- ৩৬৩, আর এস খতিয়ান নং- ৭০৮, সাবেক দাগ নং- ৫১৫, হাল দাগ নং- ১৯১১ এর ৫৪ শতক আবাদি জমি ১৯৮৩ সালে ভরিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল জোব্বার এর পুত্র কৃষক আব্দুল খালেক ক্রয় করেন। তৎকালীন থেকেই তিনি জমিতে চাষাবাদ করে ভোগ দখল করিয়া আসিতেছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় একই এলাকার মৃত আকবর এর পুত্র মোঃ আবুল হোসেন (৬০) আব্দুল মান্নান (৫০) ও আবুল হোসেনের পুত্র সাবলু সরকার (৩৫) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জমিটি দখলের চেষ্টা করেন। তারা গোপনে এই জমি গুলো রেকর্ড মূলে অবৈধ ভাবে দখল করতে চায়। এদিকে বিরোধপুর্ণ- জমিটি রেকর্ড সংশোধনের জন্য আব্দুল খালেক বিজ্ঞ আদালতে দুটি মোকদ্দমা দায়ের করেন। মোকদ্দমা নং- ৬৬২/২০২২ (অন্য) এবং ৪৬৯/২০২৩।
উক্ত মোকদ্দমা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। বিজ্ঞ আদালতের মামলা বা আইনের তোয়াক্কা না করে উল্লেখ্য ব্যক্তিরা দফায় দফায় জোর পূর্বক জমি দখল করার চেষ্টা করেন। সর্বশেষ তারা গত রাতে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে (এস্কেভেটর) ভেকু মেশিন দ্বারা ট্রাক যোগে ইট ভাটায় মাটি বিক্রি করে পুকুর খননের চেষ্টা করেন। এসময় কৃষক খালেক বাঁধা দিতে গেলে তারা ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শন করেন। একপর্যায়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ এসে তাদের বাঁধা দিলে তারা মাটিকাটার সরঞ্জাম নিয়ে চলে যান।
এঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক পরিবার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে যুগযুগ ধরে তাদের চাষাবাদকৃত জমি রক্ষা করতে এবং দখলবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সময়ের সংবাদ