স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার উত্তর করমজা গ্রামের সাজেদুল ইসলাম বিশু মন্ডল কুঠির শিল্পের কাজ করে বদলে দিয়েছেন নিজের ভাগ্য। বাঁশ ও প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি ও বিক্রি করে তিনি এখন প্রতি মাসে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা আয় করছেন। এতে তার চার সদস্যের সংসার স্বচ্ছলভাবে চলছে।
উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৯-১০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত উত্তর করমজা গ্রাম। ওই গ্রামের মৃত আমছার আলী মন্ডলের ছেলে সাজেদুল ইসলাম বিশু মন্ডল (৪২) প্রায় চার থেকে পাঁচ বছর আগে পৈত্রিক পেশা হিসেবে কুঠির শিল্পের কাজ বেছে নেন। শুরুতে অল্প পুঁজি নিয়ে ঘরে বসেই তিনি এই কাজ শুরু করেন।
পরিশ্রম ও ধৈর্যের ফলে ধীরে ধীরে তার ব্যবসা বিস্তৃত হয়। বর্তমানে তিনি তিনটি স্থানে পসরা বসিয়ে কুঠির শিল্পের বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি করছেন। তার তৈরি পণ্যের মধ্যে রয়েছে বাঁশের তালাই, ডালা, কুলা, হোচাঁ, বাঁশের ঝুড়ি, গোমাইসহ নানা ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী। এছাড়াও প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি বিভিন্ন জিনিসও তৈরি করে খুচরা ও পাইকারি বিক্রি করছেন তিনি।
সাজেদুল ইসলাম বিশু মন্ডল বলেন, “আমি অল্প শিক্ষিত মানুষ। প্রায় পাঁচ বছর আগে অল্প পুঁজি দিয়ে কুঠির শিল্পের কাজ শুরু করি। এটি এখন আমার প্রধান পেশা। বাড়ির সামান্য জায়গা থাকলেও কোনো ফসলি জমি নেই। তাই ঘরে বসেই বাঁশ ও প্লাস্টিকের বিভিন্ন জিনিস তৈরি করে বিক্রি করি।”
তিনি আরও জানান, “এই কাজ করে বর্তমানে মাসে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা আয় করতে পারি। এতে আমার চার সদস্যের পরিবার স্বচ্ছন্দে জীবনযাপন করছে।”
স্থানীয়রা বলছেন, সীমিত পুঁজি ও পরিশ্রমের মাধ্যমে কুঠির শিল্পে সফলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বিশু মন্ডল। তার এই উদ্যোগ অনেক বেকার যুবকের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে।
সময়ের সংবাদ