সোনাতলা( বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার সোনাতলায় ঘরের উপর হেলে পড়া বাঁশকাটার জেরে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। এতে শ্রী সজিব দাস(৩০) নামের এক যুবক এবং তার মা শান্তি রানী আহত হয়ে সোনাতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধিন রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নেরহাঁসরাজ গ্রামে বুধবার(২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে। আহত সজিব ওই গ্রামের শ্রী গিরিন চন্দ্রদাসের ছেলে ও শান্তি রানী তার স্ত্রী । এ ঘটনায় সজিব দাসের বড়ভাই সুজন দাস প্রতিপক্ষের ৪জনের নামে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগ ও সরজমিনে জানা যায়, হাঁসরাজ গ্রামে গিরিন চন্দ্র দাসের বাঁশের ঝাড়ের দুইটি বাঁশ পাশ্ববর্তী তোফাজ্জল হোসেন প্রামানিকের ছেলে মোফাজ্জলের বসতঘরের উপরে হেলে পড়ে। মোফাজ্জল হেলে পড়া ওই বাঁশ দুইটি গিরিন চন্দ্র দাস বা তার ছেলেদের না বলে গত ২৪ মার্চ কেটে ফেলে। পরেরদিন ২৫ মার্চ সকালে গিরিন চন্দের ছেলে সজিব বাঁশ কাটার কারণ
জানতে চাইলে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে
সেখানে মারপিটের ঘটনা ঘটে।
এ ব্যাপারে গিরিন চন্দ্র দাস জানান, মোফাজ্জল ও তার লোকজন জোরপূর্বক আমার বাঁশেরঝাড় থেকে দুইটি
বাঁশ কেটে ফেলে। আমার ছেলে সজিব বাঁশ কাটার কারণ জানতে চাইলে তাকে মারপিটে মাথা ফাটাসহ
গুরুতর আহত করে। এ সময় আমার স্ত্রী শান্তি রানী ছেলেকে রক্ষা করতে গেলে তাকেও মারপিট করে।
এ ব্যাপারে মোফাজ্জলের বাবা সাবেক ইউপি সদস্য তোফাজ্জল হোসেন জানান, আমার ছেলের ঘরের উপর গিরিন চন্দ্রের কয়েকটি বাঁশ হেলে পড়ে যা ঝড়বৃষ্টি আসলে ঘরের ক্ষতি হয়। বাঁশগুলো গিরিনকে কাটতে বলা হয়েছে অনেকবার। বিষয়টি গ্রামের মানুষও অবগত আছে। কিন্তু বাঁশগুলো না কাটায় আমার ছেলে মোফাজ্জল বেশিহেলে পড়া দুইটি বাশ ২৪ মার্চ কেটেছে। আজ (২৫মার্চ) আরেকটি বাঁশের আগা কাটতে থাকলে সজিব চন্দ্র সেখানে আসলে কাটা বাঁশের আগা তার মাথায় পড়ে আহত হয়। এখানে কোন
মারপিটের ঘটনা ঘটেনি।
এ ব্যাপারে সোনাতলা থানা অফিসার ইনচার্জ কবীর হোসেন জানান, তদন্ত সাপেক্ষে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।
সময়ের সংবাদ