বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন

News Headline :
মহান বিজয় দিবস উদযাপন বাস্তবায়ন লক্ষ্যে তাড়াশে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে ৫২ বছর বয়সে এসএসসি পাশ করলেন কৃষক মতিন তাড়াশে গোপনে ম্যানেজিং কমিটি করার অভিযোগ শপথ নিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য শরিফুল ইসলাম তাজফুল তাড়াশে সুফলভোগীদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে কৃষকের মাঝে কৃষি যন্ত্রপাতি ও কৃষি উপকরণ বিতরণ  তাড়াশে ৫১তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে সরকারি খাস জায়গা অবৈধভাবে দখল করে দোকান ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তাড়াশে মাধাইনগর ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগের ত্রি- বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত তাড়াশে ৩টি ওয়ার্ড যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

তাড়াশে ধান কাটার শ্রমিকের সংকট

admin
  • Update Time : মঙ্গলবার ১০ মে, ২০২২
  • ২৩৭ বার পঠিত

আরিফুল ইসলামঃ

সিরাজগঞ্জ তাড়াশে চলতি মৌসুমে বোরো ধান পাকলেও শ্রমিকের সংকটে ধান ঘরে তুলতে পারছে না কৃষকেরা। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। অন্যদিকে গত কয়েক দিনের ঝড় ও বৃষ্টি পাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাকা ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এসব ধান দ্রুত তুলতে না পারলে পানির নিচেই নষ্ট হয়ে যাবে। ধান তোলার জন্য অতিরিক্ত মূল্য দিয়েও মিলছে না শ্রমিক। উপজেলার সেরাজপুর, মালশিন, বিনসারা, ঘরগ্রাম, আসানবাড়ি সহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, এখনো হাজারো একর জমির পাকা ধান মাঠে পড়ে আছে। শ্রমিকের অভাব থাকায় অনেক কৃষক পরিবারের সদস্য নিয়ে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ করছেন। গত দুই বছর করোনার সময়েও শ্রমিকের এতো সংকট হয়নি। কিন্তু এবার বাইরের জেলা থেকে শ্রমিক এসেছে খুব কম।
উপজেলার সেরাজপুর গ্রামের আলী বকস্ জানান, তিনি এবার ৪০ বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছেন। এর মধ্যে কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ৩০ বিঘার জমির পাকা ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বৃষ্টির পানি চলাচলের ব্রীজের সামনে পুকুর হওয়ায় পানি চলাচল করতে পারছে না এর কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
গুড়মা গ্রামের নায়েব আলী  জানান, চলতি মৌসুমে আমি প্রায় ৭ বিঘা জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান রোপন করেছি। গত ৮ থেকে ১০ দিন আগে আমার জমির ধান পেকে গেছে। এখন পর্যন্ত ধান কাটার শ্রমিক না পাওয়ায় ফসল ঘরে তুলতে পারিনি।
 মালশিন গ্রামের ইব্রাহিম হোসেন জানান, এবার ফলন বেশী হলেও এ বছরে বোরো ধানের লাভ হবে না। সেচ খরচ, সার ও পরিচর্চা বাবদ প্রতি বিঘায় ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা করচ হয়েছে। আবার শ্রমিক খরচ বিঘায় ৫ হাজার টাকা। আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় কৃষকের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মোছাঃ লুৎফুননাহার লুনা বলেন, বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে আমি দেখেছি এই মৌসুমে ভালো ফলন হয়েছিল। কিন্তু ঝড় ও বৃষ্টির কারণে জমির ধান পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া কৃষক অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। মাঠের প্রায় ৮০ শতাংশ ধান পেকে গেছে। আমরা কৃষকদের দ্রুত মাঠের ধান কেটে ফেলার পরামর্শ দিচ্ছি।
Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..