মঙ্গলবার, ২২ Jun ২০২১, ০৩:৫১ অপরাহ্ন

তাড়াশে উড়াঁও ছাত্রীকে ধর্ষণ, গৃহ শিক্ষক গ্রেফতার | ধর্ষণের শিকার শিশুটিও অসুস্থতায় কাতরাচ্ছেন !

গোলাম মোস্তফা, নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • Update Time : শুক্রবার ১৯ মার্চ, ২০২১
  • ৬৫৩ বার পঠিত

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে গুল্টা বাজার শহীদ এম মনসুর আলী ডিগ্রী কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের এক উড়াঁও ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক গৃহ শিক্ষককে গ্রেফতার করেছেন থানা পুলিশ। অপর আরেকটি ধর্ষণের ঘটনায় ছয় বছরের এক শিশু সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ২৫০ শয্যা হাসপাতালের গাইনী বিভাগের সাত নম্বর ওয়ার্ডে অসুস্থতায় কাতরাচ্ছেন।
বিষয় দুটি নিশ্চিত করেছেন তাড়াশ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলে আশিক। তিনি বলেছেন, উড়াঁও কলেজ ছাত্রীর বাড়ি উপজেলার তালম ইউনিয়নের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী অধ্যূষিত গুল্টা গ্রামে। (১৮ মার্চ) বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক নয়টার সময় ঐ ছাত্রীর বাবা ও মা গুল্টা বাজারে চা বিক্রি করছিলেন। কিন্তু তাদের মেয়েটি বাড়িতে একাই ছিলন। এমন সময় গুল্টা গ্রামের মৃত জাফর মোল্লার ছেলে গৃহ শিক্ষক আবু ছাইদ মোল্লা (৩৮) ঐ ছাত্রীর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন। এমন ঘটনার বর্ণনা দিয়ে শুক্রবার সকালে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে তাড়াশ থানায় মামলা করেছেন।
ওসি ফজলে আশিক আরো বলেছেন, অভিযুক্ত গৃহ শিক্ষককে লোকজন গণপিটুনি দেওয়ায় খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন। সে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলো। কিন্তু মামলা হওয়ার পর পুলিশ তাকে সেখান থেকেই গ্রেফতার করেছেন। এখন সে পুলিশি হেফাজতে চিকিৎসা গ্রহন করছেন। ভিকটিম উড়াঁও কলেজ ছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি চলছে।
একই দিন শুক্রবার সকালে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে তাড়াশ থানায় বাদী হয়ে মামলা করেছেন ঐ শিশুটির বাবা। কিন্তু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে গত মঙ্গলবার সকাল ১০ দিকে উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের মহেষ রৌহালী গ্রামে। এ ঘটনার পর থেকে ধর্র্ষক ঐ গ্রামের মোমিন কবিরাজের ছেলে নাইম শেখ (২০) পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানিয়েছেন, ধর্ষক নাইম শেখ ঐ শিশুটির আপন চাচাতো ভাই। চকলেট কিনে দেওয়ার কথা বলে নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে সে। কিন্তু ধর্ষণের পর থেকেই রক্তক্ষরণের কারণে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। বুধবার শিশুটির শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি দেখা দেয়। তখন পরিবার তাকে মূমুর্ষূ অবস্থায় সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানকার গাইনী বিভাগের সাত নম্বর ওয়ার্ডে তার চিকিৎসা চলছে। সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ২৫০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ফরিদুল ইসলাম জনিয়েছেন, শিশুটি এখনও শঙ্কামুক্ত নন।

 

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..