মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১০:২১ অপরাহ্ন

সাভারে যুবলীগের উদ্যোগে “শোকাবহ আগষ্ট” শির্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

গোলাম সারওয়ার সজলঃ
  • Update Time : শুক্রবার ২৮ আগস্ট, ২০২০
  • ২৯৪ বার পঠিত

সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন যুবলীগের উদ্যোগে “শোকাবহ আগষ্ট” শির্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মুঞ্জরুল আলম রাজীব।

বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর,তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শাহজাহান মেম্বার ঢাকা জেলা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক সায়েম মোল্লা,সাভার থানা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক নাছির আহমেদ,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শেখার ফরিদ আল রাজী। ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম, ইউপি সদস্য ফিরোজ কাজল, ইউপি সদস্য মিন্টু মেম্বার সহ আরও অনেকে।

এসময় প্রধান আলোচক মুঞ্জরুল আলম রাজীব বলেন, যারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেছে, যারা শেখ হাসিনাকে হত্যা করার চক্রান্ত করেছে, তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়। স্বাধীনতা নিরাপদ নয়। উন্নয়ন বিরোধী অপশক্তি এখনও চারপাশে আছে। তারা দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে মেনে নিতে পারছে না। তারা আসলে শান্তি ও স্বস্তির বাংলাদেশ চায় না।,এই জন্য তারা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার বিচার ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে নাটক সাজিয়েছিল। উন্নয়ন বিরোধী অপশক্তি তলে তলে তৎপর। তারা দেশকে সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে চায়। সতর্কতার পাশাপাশি উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।, ২০০৫ সালের এই দিনে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন (জেএমবি) সারাদেশে একযোগে দেশের ৬৩ জেলায় ৫শ স্থানে সিরিজ বোমা হামলা চালিয়ে ছিল। এ ঘটনায় ২জন নিহত এবং ৫০ জন আহত হয়।

তিনি বলেন, এই সিরিজ বোমা হামলার প্রস্তুতি একদিনে হয়নি। তৎকালীন বিএনপি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা না থাকলে জঙ্গিরা একদিনে একই সময়ে এই হামলা করতে পারতো না। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট নির্মম হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সিরিজ বোমা হামলা করা হয়। এসব ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা। এসব ঘটনার মাস্টার মাইন্ড বিএনপি। এটি অভিন্ন ষড়যন্ত্রেরও অংশ। এটি ছিল জঙ্গি গোষ্ঠির শক্তি প্রদর্শন।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তার জন্য আমাদের সচেতন থাকতে হবে। আমরা আর কোনো ১৫ আগস্ট, ২১ আগস্ট ও ১৭ আগষ্টের মতো ঘটনা দেখতে চাই না। চাইনা রমনার বটমূলের মতো নৃশংস হত্যাকাণ্ড। পচাত্তরের ১৫ আগষ্টের মতো নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর কোনো দেশে হয়নি। বিদেশে থাকার কারণে বেঁচে যান আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম জুয়েলের এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সন্ধালনা করেন যুবলীগ নেতা মনির হোসেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের নিহত সকল শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।পরে উপস্থিত সকলের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..