মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১১:৫১ অপরাহ্ন

News Headline :
তাড়াশে সদ্য যোগদানকৃত শিক্ষা অফিসার ও নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের বরণ অনুষ্ঠান তাড়াশে ২ হাজার শীতার্তদের মাঝে এমপি আজিজের কম্বল বিতরণ বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে রাতে বিয়ে বাড়িতে ইউএনও তাড়াশে ৭০লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ একজন আটক তাড়াশে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় সুরক্ষার জন্য স্পিড ব্রেকার দিলেন ছাত্রলীগ তাড়াশে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে ব্যানারে বঙ্গবন্ধুর ছবি না থাকায় অনুষ্ঠানে আসেননি চেয়ারম্যান ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচার করায় প্রতিবাদ ২৬ দিনেও তদন্ত শেষ হয়নি, উদ্ধার হয়নি আট লক্ষাধিক টাকার ওষুধ তাড়াশে এক দিনের ব্যবধানে আরেকজন স্কুল ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা সফল করার লক্ষ্যে তাড়াশে যৌথ কর্মীসভা

মহাদেবপুরে যুবলীগ নেতার ভার্চুয়াল আদালতে জামিন

সময়ের সংবাদ ডেস্ক
  • Update Time : বৃহস্পতিবার ২১ মে, ২০২০
  • ১৭৭ বার পঠিত

কাজী সামছুদ্দোহা মিলন:

সারা বিশ্ব যখন মরন ভাইরাস করোনা নিয়ে চরম আতংকিত। বিশ্বব্যাপী মানবজাতি যখন নিজ উদ্যোগে গৃহবন্দি। বিভিন্ন পেশাজীবিরা যখন কাজ করতে উৎকন্ঠায় অবরুদ্ধ। সাধারণ মানুষ খাবারের আশায় দিশে হারা। ঠিক সেই সংকটময় সময়ে মহাদেবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ও উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সাধারণ সম্পাদক তরুন সমাজ সেবক, যুবকদের অহংকারের প্রতিক, বঙ্গবন্ধুর আর্দশের বীর সৈনিক মাসুদুর রহমান মাসুদ অবশেষে ২০ মে কারাগার থেকে ভার্চুয়াল আদালতের মাধ্যমে জামিনে মুক্ত হন। মিথ্যা মামলায় কারাগারে যাবার পূর্বে যেন অসহায় নেতা-কর্মীদের ও সাধারণ মানুষের অবলম্বন হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। করোনা নামক ভাইরাসের সাথে যুদ্ধ করে সাধারন মানুষের মাঝে শুরু করেছিলেন সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরন, পোষ্টারিং, স্প্রে সাবান, মাক্স, পিপিই বিতরন। যখন সামাজিক ভাবে বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস আরও ভয়াবহ ঠিক তখন মানবসেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে শুরু করেছিলেম চাল, ডাল, আলু, তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার অসহায় মানুষের বাড়িতে পৌঁছে দেবার। কারাগারে যাবার পূর্বে মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় কর্তৃক উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে গঠিত মানবতার ঘর নামে পরিচালিত তহবিলে ১০ হাজার টাকা প্রদান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। আরও জনসেবা মূলক কাজের যখন প্রস্তুতি নিচ্ছেলেন এমনই সময় তাকে রাজনীতির প্রতি হিংসার শিকার হয়ে মিথ্যা মামলায় কারাগারে যেতে হয়। যা অত্যন্ত দুঃখ জনক। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও মাসুদ মুক্তি পরিষদ মামলার দ্রুত বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবী করে অবিলম্বে মাসুদুর রহমানের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়ে আসছিলেন। জামিনে মুক্ত হয়ে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে ২১ মে সন্ধ্যায় মাসুদুর রহমান তার নিজ বাসভবনে বলেন, তিনি এম. আর. জে এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী হিসাবে দীর্ঘদিন থেকে সুনামের সাথে বিভিন্ন ব্যবসা বাণিজ্য করে আসছে। এ ধারাবাহিকতায় গত ৩/৩/২০২০ইং তারিখে রাজশাহী থেকে প্রকাশিত দৈনিক সানশাইন পত্রিকার মাধ্যমে অবগত হয়ে বাংলা ১৪২৭ সনের জন্য মহাদেবপুর উপজেলাধীন বালু মহালের দরপত্র ক্রয় করেন। সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ১১ লক্ষ্য ৫৭ হাজার ৭৩২ টাকা রাজস্ব বেশি দিয়ে গত ২৪ মার্চ দুপুরে নির্ধারিত সময়ের মধ্য দরপত্রটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রক্ষিত বাক্সে দাখিল করেন। ওই দিনই বিকেল ৫টায় দরপত্র দাতাদের উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ডের যাচাই বাছাই শেষে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে মহাদেবপুর বালুমহাল আগামী এক বছরের জন্য তাকে দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু ২৫/০৩/২০২০ইং তারিখে জেলা প্রশাসকের নিকট সৌজন্যে সাক্ষাত করতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন তাকে দরপত্রটি দেয়া হচ্ছে না। কারন হিসাবে জানান,তিনি তার দরপত্রটি স্ননিং ভুয়া জাল ও টেম্পারিং করে দাখিল করেছেন বলে দ্বিতীয় দর দাতা আলহাজ্ব মোয়াজ্জেম হোসেন ও ৩য় দরদাতা সাঈদ হাসান তরফদার শাকিল অভিযোগ করেছেন। আলাপ কালে তিনি আরও বলেন, এতো গুলো অপরাধ করে দরপত্র দাখিল করার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকেই সর্বোচ্চ দরদাতা হিসাবে বেছে নিলেন কেন? আর পরের দিন ২য় ও ৩য় দরদাতা জেনে গেলেন তিনি জাল করেছেন মর্মে অভিযোগও করলেন। কিন্তু ২৪ তারিখেই যাচাই বাছাই কমিটি সেটি বাতিল করতে পারতেন। তারপরও যদি ভুল হয় তবে আত্বপক্ষ সমর্থনের সুযোগ হিসাবে আমার এম. আর. জি এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী বাতিলের জন্য কারন দর্শানোর উকিল নোটিশ করা যেত, লাইসেন্স বাতিল করা যেত, বিডি বাতিল করা যেত, দরপত্র বাতিল করে পুনরায় দরপত্র আহবান করা যেত। কিন্তু সেই সুযোগ না দিয়ে সরাসরি তার বিরুদ্ধে মামলা কেন? তিনি আরও বলেন অভিযোগকারীরা তাদের অভিযোগে বলছেন, মহাদেবপুর বালু মহালের দরপত্রটি সমঝোতার ভিত্তিতে তাদের দিয়ে দিয়েছেন। তারাই আবার অভিযোগ করে বলছেন, আমি নাকি পত্নীতলা উপজেলা বালু মহালের নাম পরিবর্তন করে মহাদেবপুর লিখে দাখিল করেছি বলে অনুমান করছেন। এই অনুমানের উপর নির্ভর করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কারো সহযোগিতায় এসব অপকর্ম করে তার সম্মানহানি করেছেন বলে তিনি মনে করছেন। সে এ ন্যাক্কারজনক মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতা নিপুন বিশ্বাস রিপন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি আপেল মাহমুদ, খাজুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, যুবলীগ নেতা জামিউল ইসলাম বুলু, শফিকুল, সালাম, রাসেল, ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মিঠু, নাজমুল, পঙ্কজসহ শতাধিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য গত ১৩/০৪/২০২০ইং তারিখে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখার অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক রেজাউল করিম বাদী হয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন যার নং- ১৪। একজন ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী তার বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর মডেল থানায় জালিয়াতি মামলা দায়ের করলে ওই থানা পুলিশ মহাদেবপুর থানা পুলিশের সহযোগীতায় তাকে গত ১৪/০৪/২০২০ইং তারিখে মহাদেবপুর বক চত্তরে অবস্থিত তার অফিস থেকে বিকেলে আটক করে সাথে সাথে নওগাঁ থানায় নিয়ে যান। এ খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকার সর্বত্র নিন্দার ঝড় উঠে। অপরদিকে তার মুক্তির খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা ছড়িয়ে পড়ে।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..