বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ১২:০৬ অপরাহ্ন

তাড়াশে আব্দুল আলিম এক টাকা পঞ্চাশ পয়সা থেকে ইত্তেফাক পড়েন

admin
  • Update Time : শুক্রবার ১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
  • ১১৬ বার পঠিত

গোলাম মোস্তফা, নিজস্ব প্রতিবেদক, সময়ের সংবাদ:
১৯৮৮ সাল থেকে অদ্যাবধি নিয়মিত দৈনিক ইত্তেফাক পড়েন এবং আমৃত্যু এর পাঠক থাকবেন বলে জানিয়েছেন ৫১ বছর বয়সী তাড়াশের দন্ত চিকিত্সক টিএম আব্দুল আলিম। তিনি যখন দশম শ্রেণির ছাত্র তখন থেকে স্কুলের স্যারদের পড়তে দেখে নিজেও এ পত্রিকাটি পড়তে শুরু করেন। এরপর পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা মরহুম তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে নিয়মিত ইত্তেফাক পড়ছেন তিনি। যার শুরু হয়েছিল এক টাকা পঞ্চাশ পয়সা থেকে।
জানা গেছে, ইত্তেফাকের এই পাঠক ১৯৬৬ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার প্রত্যন্ত আগুড়িয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাবা-মার হাত ধরে সিরাজগঞ্জ শহরে এসে বসবাস শুরু করেন। এরপর ডিপ্লোমা দন্ত চিকিত্সা কোর্স সম্পন্ন করে ১৯৭৮ সালে এ পেশায় নিয়োজিত হন। সিরাজগঞ্জ শহরে বাড়ি হলেও তিনি ১৯৮৯ থেকে প্রতিদিন তাড়াশ এসে সকাল-সন্ধা দন্ত চিকিত্সক হিসেবে তাড়াশ উপজেলার মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। বৈবাহিক জীবনে তিনি এক মেয়ে ও দুই ছেলের বাবা।
ইত্তেফাক পড়ার কারণ হিসেবে আব্দুল আলিম বলেন, আমার দৃষ্টিতে ইত্তেফাকের সকল সংবাদ নিরপেক্ষ এবং গঠনমূলক। মফস্বলের সংবাদ বাংলাদেশের সব সংবাদপত্রের তুলনায় অনেক বেশি থাকে। তা ছাড়া দেশি-বিদেশি সব খবর আমার কাছে ভালো লাগে। মতামত, সম্পাদকীয় কিংবা উপ-সম্পাদকীয়গুলো যুগোপযোগী ও তথ্যবহুল। তাই কর্মব্যস্ত জীবনের প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কাজের ফাঁকে যখনি সুযোগ হয় আমি মনোযোগ দিয়ে ইত্তেফাক পড়ি।
তিনি আরো জানান, অনেক লোক বিজ্ঞাপন এবং খবরের জন্য উপজেলার দূরদূরান্তের গ্রাম থেকে আমার কাছে ইত্তেফাকের পুরানো সংখ্যা খুঁজতে আসেন। এজন্য আমি তা সংরক্ষণও করি। এ ক্ষেত্রে কারো কাছ থেকে কোনো পয়সা-কড়ি নেই না বা বিরক্ত হই না। বরং গর্ব হয় পত্রিকাটির জন্য এই ভেবে যে, আমি যে পত্রিকাটি পড়ি তাতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ ও বিজ্ঞাপন প্রকাশ হয়। যা দেখতে মাঝে মধ্যে অনেকেই আমার কাছে আসেন।
Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..