স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তারাবি নামাজ চলাকালে হঠাৎ খড়ের পালাগুলোতে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। শুকনো খড় থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালালেও তা সম্ভব হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন ফুলবাবুর একটি, শাজাহানের দুটি, চেংটু মিয়ার একটি, পলাশের একটি এবং মাসুদের একটি খড়ের পালা। ক্ষতিগ্রস্ত সবাই সাধারণ ও নিম্নআয়ের পরিবার। খড়গুলো গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। আগুনে পুড়ে যাওয়ায় তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
খবর পেয়ে সোনাতলা ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই খড়ের পালাগুলো পুড়ে যায়।
খবর পেয়ে সোনাতলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এটি পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ বিরাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় সহায়তার দাবি
এম এইচ হাসান মেহেদী