সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৪:১৫ অপরাহ্ন

News Headline :
তাড়াশে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালিত তাড়াশে ছাত্রলীগ নেতা ছোটনের ধুমধামে জন্মদিন পালিত তাড়াশে এমপি আজিজের পূজা মন্ডপ পরিদর্শন তাড়াশে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন আওয়ামীলীগ নেতা শামীম সরকার তাড়াশে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহেল বাকীর পূজা মন্ডপ পরিদর্শন। তাড়াশে শারদীয় দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী হান্নান তাড়াশে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর উঠান বৈঠক যেন জনসভায় পরিণত তাড়াশে চেয়ারম্যান প্রার্থীর উঠান বৈঠক যেন জনসভায় পরিণত তাড়াশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে গাছের চারা বিতরণ তাড়াশে নওগাঁ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল।

পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হলে উল্লাপাড়াবাসীকে সাথে নিয়ে অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করবোঃ মেয়র নজরুল ইসলাম

রানা আহমেদ, সিরাজগঞ্জ:
  • Update Time : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫১৮ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌরসভার বর্তমান মেয়র ও আগামী পৌর নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী এস.এম নজরুল ইসলামের একান্ত সাক্ষাৎকার নিয়েছেন “সময়ের সংবাদ” এর স্টাফ রিপোর্টার রানা আহমেদ।

প্রশ্ন : কেমন আছেন?

নজরুল ইসলাম: আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।

প্রশ্ন : আপনি মেয়র থাকাকালীন পৌরবাসী ও পৌরসভার জন্য উল্লেখযোগ্য কি কি করেছেন?
নজরুল ইসলাম: প্রায় ৫বছর যাবত সবার দোয়ায় ও আল্লাহর রহমতে সুন্দরভাবে মেয়র হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। পৌরসভার ও পৌরবাসীর সুবিধার্থে আলোকসজ্জা, নিরাপদ পানি সরবরাহ, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে পৌর নাগরিকের সকল প্রয়োজন ও সুবিধা নিশ্চিত করেছি। পৌরসভা যে সেবামূলক প্রতিষ্ঠান সেটা নিশ্চিত করেছি। ১৫০টি রাস্তার মধ্যে অন্তত ১২০টি রাস্তার খুব খারাপ অবস্থা ছিল। সেগুলোকে মেরামতের পাশাপাশি চলাচলের উপযোগী করেছি। ৫বছরে ২০কি.মি রাস্তা নির্মান করেছি যা গত ১৫বছরের চেয়েও বেশি। গত ১৫বছরে হয়েছিল ১৫কি.মি রাস্তা। উল্লাপাড়া বাজারের মাঝখানে বয়ে যাওয়া খালটি প্রায় দখল হয়ে গিয়েছিল। যা যুদ্ধের পরে এই প্রথম আমি সেটা দখলমুক্ত করে প্রায় ৩০০শত কোটি টাকার সরকারি সম্পদ পুনরুদ্ধার করেছি। যার কারনে পুরষ্কার সরূপ ১কোটি টাকা বরাদ্ধও পেয়েছি। পৌরমঞ্চ টি নির্মাণ করেছি। যেটা সিলেটের জন্য বরাদ্ধ থাকলেও তাদের জায়গা সংকটের সুযোগে আমি সেটা আনতে সামর্থ্য হয়েছি।
পৌর কিচেন মার্কেট নির্মান করেছি, যেটা পৌরবাসীর প্রাণের দাবি ছিল। যা ৩কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত হয়েছে। যেটা আমার জন্য বড় একটি অর্জন। পৌর টার্মিনালটিও পৌরবাসীর জন্য একটি বড় উন্নয়ন। একটি বৃহৎ পানির প্রকল্প পেয়েছি (থার্টিটাম)। যা সারাদেশের মাত্র ৩০টি পৌরসভা পাবে তার মধ্যে আমি একটা উল্লাপাড়া বাসীর জন্য আনতে সক্ষম হয়েছি। এবং যার ইতিমধ্যেই ১৪০কোটি টাকার টেন্ডার হয়েছে ও জমিও কেনা হয়েছে। সর্বমোট প্রায় ৪০কোটি টাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। বৃহত্তর পাবনা বগুড়ার একটা প্রকল্প আনতে সক্ষম হয়েছি। এখন প্রজেক্টের জন্য প্রায় ১০০কোটি টাকার প্রজেক্টের অপেক্ষায় আছি।

প্রশ্ন : করোনার ক্রান্তিলগ্নে কিভাবে পৌর বাসীর পাশে ছিলেন?

মেয়র নজরুল ইসলাম: এই বৈশ্বিক মহামারিতে নিজে থেকেই সার্বিকভাবে উল্লাপাড়াবাসীর পাশে থেকে কাজ করে গেছি। নিজের ও সরকারি অনুদানের পাশাপাশি পরিচিতদের কাছ থেকে পর্যন্ত সাহায্য নিয়ে অসহায় ও কর্মহীনদের পাশে ছিলাম। আমার পৌরসভার একটি নাগরিকও যেন না খেয়ে বা কষ্টে দিন কাটায় তার জন্য কাজ করে গেছি ও যাচ্ছি। সকল প্রকার সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি সচেতেনতা তৈরীতে কাজ করে গেছি।

প্রশ্ন : আগামীতে পৌরসভা ও পৌরবাসীর জন্য কি কি করার পরিকল্পনা আছে?

মেয়র নজরুল ইসলাম: উল্লাপাড়ার প্রেক্ষাপটে খুবই দরকার একটি ডাম্পিং পয়েন্ট ব্যবস্থা করা। ময়লা নিষ্কাশন, দুর্গন্ধ মুক্ত ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গড়তে এটি খুবই দরকার। পাশাপাশি পরিবেশ ঠিক রাখতে ও সেবা নিশ্চিত করতে কসাই খানা, পৌর বিনোদন পার্ক, সোলার লাইট দিয়ে সম্পুর্ন পৌরসভা আলোকিত করা সহ গ্রীন, ক্লীন ও স্মার্ট পৌরসভা গড়ে তুলতে চাই।

প্রশ্ন : আপনি কেন নিজেকে পৌর পিতা হিসাবে যোগ্য মনে করেন?

মেয়র নজরুল ইসলাম: ১৯৯৩ সাল থেকে রাজনীতি শুরু করেছি। সর্বদলীয় ছাত্র সংসদের সদস্য হিসাবে আমার রাজনীতির শুরু। ১৯৯৪-৯৫ সালে কলেজের জি.এস নির্বাচিত হই। উপজেলায় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছি ৭বছর। তখনই কাউন্সিলরও নির্বাচিত হয়েছি। উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম ৭বছর। পরবর্তীতে পৌর আঃলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই। তারপরে পৌরবাসীর ভালবাসায় মেয়র নির্বাচিত হই। মেয়র থাকাকালীন সময়ে মানুষের আ¯’ার জায়গা তৈরি করে কাজ করে গিয়েছি। পৌরসভাকে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেছি। প্রতিটি জায়গায় উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে। সচেতন পৌরবাসী এই উন্নয়ন ধরে রাখতে একজন পরীক্ষিত মেয়রকেই আবার মেয়র হিসাবে বেছে নিবেন বলে বিশ্বাস করি।

প্রশ্ন : আপনি তো সংস্কৃতি মনা একজন মানুষ হিসাবেও পরিচিত?

মেয়র নজরুল ইসলাম: আমি সর্বদাই সংস্কৃতি ও সুস্থ বিনোদন পছন্দ করি। আমি নিজেই আগে গান গেয়েছি। নজরুল সংগীতে জেলায় ৩বার ও লোক সংগীতে ৪বার প্রথম হয়েছি। বিভাগীয় পর্যায়ে ২য় হয়েছি।

প্রশ্ন : দলীয় মনোনয়ন পাবেন কিনা?

মেয়র নজরুল ইসলাম: ইনশাআল্লাহ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে ঘোষনা দিয়েছেন যে, তৃনমূল থেকে উঠে আসা ত্যাগী ও পরীক্ষিত দের মনোনয়ন দিবেন সে অনুযায়ী আমি পাবো বলেই আশা করি। বলতে চাই, সঠিক যাচাই বাছাইয়ের পরে যেন মনোনয়ন দেয়া হয়। আমার করে আসা কাজগুলোর পর্যালোচনা করে, উল্লাপাড়া পৌরবাসীর আবেগ ও ভালবাসা কে মূল্যায়ন করলে আমিই মনোনয়ন পাবো ইনশাআল্লাহ।

প্রশ্ন : পৌরবাসীদের জন্য কিছু বলতে চান কিনা?

মেয়র নজরুল ইসলাম: পৌরবাসী সবাই খুব সচেতন ও বুদ্ধিমান।আমি মনেকরি দল বল নির্বিশেষে সবাই যাকে আপনজন হিসাবে চেনে। জানে তাকেই তারা বেছে নিবেন। আমি আশাকরি তাকেই তারা ভোট দিবেন। এবং তারা তাদের বিশ্বস্ত মানুষ হিসাবে আমাকেই ভোট দিবে বলে আমার বিশ্বাস।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..