বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন

সৎ ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা

মোঃ মিরাজুল শেখ, স্টাফ রিপোর্টার:
  • Update Time : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩৯০ বার পঠিত

মোঃ মিরাজুল শেখ, স্টাফ রিপোর্টার:

বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থানার অত্যন্ত সৎ দক্ষ মানবিক ও কোমল স্বভাবের পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই মোঃ শামীম সরদার। চিতলমারী বড়বাড়িয়া ফাঁড়ি থানার সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ দুর্নীতি চাঁদাবাজ ও মাদকের বিরুদ্ধে নিরলসভাবে পুলিশ সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন এ এসআই মোঃ শামীম সরদার।

তিনি বলেন, আমি পুলিশের ইউনিফর্ম কে প্রচন্ড শ্রদ্ধা করি। ডিপার্টমেন্টের দেওয়া আদেশ নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করা টাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। পুলিশ কর্মকর্তা হলেও অপরাধ দমনে তিনি কঠোর হলেও দিনরাত অসহায় মানুষের কাছে মানবতার সেবক হিসেবে পরিচিত বাগেরহাট চিতলমারী বড়বাড়িয়া ফাঁড়ি থানার এ এস আই মোঃ শামীম সরদার।

নেশার সঙ্গে পেশা যখন হয় মানব সেবা, তখন তা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য। মানুষ অসহায় হয়ে পুলিশের কাছে আসে। পুলিশ হয়তো সব সমস্যার সমাধান করতে পারবে না কিন্তু মনোযোগ দিয়ে তাদের কথা গুলো শুনেন এবং করণীয় সম্পর্কে তাদেরকে বুঝিয়ে বলেন এ এস আই মোঃ শামীম সরদার। ইউনিফর্ম গায়ে চাপিয়ে যখন নিজের ডিউটিতে থাকেন তখন তিনি শুধু কর্তব্যরত একজন পুলিশ নন, মানবিকতাবোধ সম্পন্ন একজন মানুষ। যার কাজ নিজের সাধ্যমত বিপদগ্রস্তদের অসহায় এগিয়ে যাওয়া সামান্যতম অহংকার ও তার মাঝে নেই।

আমি সব সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তাদের সেবা করার চেষ্টা করি। পুলিশের চাকরির সুবাদে আমাকে এই কাজ আরও বড় পরিসরে করার সুযোগ হয়েছে। এই জন্য আমি আমার ডিপার্টমেন্ট এর প্রতি অনেক বেশি কৃতজ্ঞ।

সেবাদানকারী ব্যক্তির সঙ্গে সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা বেড়ে যায় তার পেশার প্রতি। অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানো আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব।

পুলিশের যে নেতিবাচক ভাবমূর্তির কথা সব সময় বলা হয় তার সঙ্গে এ এসআই মোঃ শামীম সরদার একমত নন। পুলিশ কিন্তু বেশিরভাগ সময় ভালো কাজ করে। আমরা কিন্তু বেশিরভাগ সময়ে দেশের মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকি। তাছাড়া পুলিশে থেকেও যা দুই একজনের নামে বদনাম শোনা যায় সেটা তাদের ব্যক্তিগত আচরণ। পারিবারিক সুশিক্ষায় শিক্ষিত একজন মানুষ যে পেশাতেই থাকুক না কেন তার পক্ষে দুর্নীতি করা সম্ভব নয়। তার এ ধরনের কাজ অন্যদের ও ভালো কাজে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা করেন এ এসআই মোঃ শামীম সরদার।

মোঃ শামীম সরদার এর জন্ম বরিশাল জেলাতে ছোটবেলা থেকেই তিনি মানবপ্রেম তার মাঝে জাগ্রত ছিল। তিনি দাবি করেন, পরিবার থেকে পাওয়া শিক্ষায় আজ আমাকে এ ধরনের কাজে উৎসাহ দেয়। মায়ের দিক নির্দেশনায় ও উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে সরকারি চাকরিতে যোগদান করি। ছোট থেকেই পুলিশের চাকরি করে মানুষকে সাহায্য করার ব্যাপার তেমন কোনো ধারণা ছিল না। তবে চাকরিতে আসার পর আমি খুবই গর্বিত। কারন পুলিশের চাকরিতে মানুষকে খুব কাছ থেকে সাহায্য করা যায় মানুষকে সাহায্য করতে পেরে আমি ঐশ্বরিক শান্তি পাই। এটাই আমার এবাদত মনে করি।

শুধু তাই না, আমার সীমাবদ্ধতার ভিতর থেকে যতটুকু পারি তার পুরোটা দিয়ে আমি মানুষকে সহায়তার চেষ্টা করি।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..