বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ১২:১০ অপরাহ্ন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে

স্টাফ করেসপনডেন্ট:
  • Update Time : সোমবার ১২ অক্টোবর, ২০২০
  • ২২৯ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টারঃ

চলমান ধর্ষণের বিচারের নামে মাঠে নেমে আন্দোলন করে দেশে কোন অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করলে ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সদর-৫ আসনের সাংসদ গোলাম ফারুক প্রিন্স।

রবিবার রাতে সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ আয়োজিত কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এমপি প্রিন্স বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ই দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সকল অপরাধের বিচার করা হয়েছে এবং বিচারাধীন রয়েছে। কোন অপরাধী ছাড় পায়নি। চলমান ধর্ষণের সাথে যারা জড়িত আছে তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে কঠোর বিচার হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তাই ধর্ষণের বিচার চাওয়ার জন্য রাজপথে আন্দোলন করার কোন যুক্তি নাই। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যখাতের অনিয়ম রুখতে যে শুদ্ধি অভিযান সরকার পরিচালনা করছে তা কারও দাবির প্রেেিত নয়, স্বপ্রণোদিত হয়েই করছে। আইন সবার জন্য, আইনের গতিতে আইন চলমান থাকবে। এটার জন্য দেশে অস্থিতিশীল অবস্থা তৈরি করার কোন মানে হয় না।

তিনি বলেন, একটি মহলের ইন্দনে শিক্ষার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে ধর্ষণের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে দেশ ও আমাদের দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, দেশ রতœ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে কু-রুচিসম্পন্ন বাক্য ব্যবহার করা হয়েছে তা অত্যান্ত পরিতাপের বিষয়। প্রধানমন্ত্রী জনগনের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য রাত দিন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচার ও বাজে মন্তব্য সহ্য করার মত না। যারা ধর্ষণের বিচারের নামে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করবে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ পতিরোধ গড়ে তুলার আহবান জানান।

এই চরতারাপুরে বিএনপি জামায়াতের সময় কোন উন্নয়ন হয়নি, তারা লুটেপুটে খেয়েছে, সাধারণ মানুষের কথা স্বরণ করেনি। বর্তমান সরকারের সময় আমি নিজে বরাদ্ধ দিয়ে রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ব্রিজ, বাজার ঘাটের উন্নয়ন করেছি। যে এলাকা সন্ত্রাসীর রাজত্ব প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। এখন সেই এলাকায় সুখের রাজত্ব কায়েম হয়েছে। সবই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হয়েছে।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীর আত্মত্যাগের জন্যই দলটির কেউ তি করতে পারেনি। আওয়ামী লীগে অনেক ত্যাগী নেতা ছিলেন বলেই বারবার আঘাত করেও কেউ এ দলকে নিশ্চিহ্ন করতে পারেনি। দেশের স্বাধীনতাসংগ্রাম, গণতন্ত্র ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ভূমিকা রাখার জন্য দলের সব ত্যাগী নেতা-কর্মীদের নাম স্বর্ণারে লেখা থাকবে। আওয়ামী লীগ অনেক ত্যাগী ও অঙ্গীকারবদ্ধ নেতা তৈরি করেছে। সে কারণেই দেশের সবচেয়ে পুরোনো এই রাজনৈতিক দলের ওপর বারবার আঘাত এলেও কেউ দলের তি করতে পারেনি। নেতারা দলীয় আদর্শ ও নীতিতে বিশ্বাসী এবং তাঁরা অর্থ-সম্পদ কুগিত করার চেষ্টা করেননি।

চরতারাপুর ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ আয়োজিত এ কমী সভায় ওয়ার্ড সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান প্রামানিকের সভাপতিত্বে ও সম্পাদক মিরাজ হোসেনের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সরদার মিঠু আহমেদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রাসেল আলী মাসুদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য সিদ্দিকুর রহমান খান, চরতারাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল হক টুটুল, চরতারাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জালাল উদ্দিন বিশ্বাস, সাদুল্লাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্পাদক রইচ উদ্দিন খান, সাদুল্লাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জয় মাহমুদ জিয়া, চরতারাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি জুয়েল রানা, সম্পাদক নিরব হোসেন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সম্পাদক, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

এসময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল রহিম লাল, আওয়ামী লীগ নেতা রবিউল ইসলাম রবি, চরতারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্পাদক খলিলুর রহমানের শারিরিক সুস্থ্যতার জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..