সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:১৫ অপরাহ্ন

News Headline :

প্রতারনা করে বিয়ে করায় মিজানুর সহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সময়ের সংবাদ ডেস্ক
  • Update Time : বুধবার ২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২২৭ বার পঠিত

সিরাজগঞ্জ পৌরসভার জুবলী বাগান রোডস্থ নুরুল আমিনের পুত্র মিজানুর রহমানের সাথে কালিয়াহরিপুর ইউনিয়নের নিবাসী আব্দুল্লাহ’র কন্যা সুমাইয়া খাতুন নদির সাথে গত ১৫ জুন ২০২০ ইং তারিখে চার লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা কাবিন মূল্যে বিবাহ হয়। বিবাহের সময় আব্দুল্লাহ তার মেয়েকে খাটি ৬ ভরি আট আনা সোনার ব্যবহারের জন্য প্রদান করেন।

বিবাহের কয়েকদিনপর যৌতুক লোভী মিজানুর রহমান পাচ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে।
এবং বিবাহের সময় মেয়ের ব্যবহারের ৬ ভরি আট আনা সোনার গহনা মিজানুর রহমান রেখে দিয়ে সিটি গোল্ডের গহনা সুমাইয়াকে পরিয়ে দিয়ে যৌতুকের পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করে মারপিট করে সুমাইয়াকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এ বিষয়ে কনের পিতা আব্দুল্লাহ মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে যৌতুক ও প্রতারনা করে বিয়ে করার অভিযোগে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয় আব্দুল্লাহ মালয়েশিয়া থাকাকালীন তার একমাত্র কন্যা সুমাইয়া খাতুন নদীর সাথে সিরাজগঞ্জ পৌরসভা দিন জুবলি বাগানের নুরুল আমিনের পুত্র মিজানুর রহমানের সাথে চার লক্ষ ৩০ হাজার টাকার কাবিন মূল্যে গত ১৫ জুন ২০২০ ইং তারিখে বিবাহ হয়।

আব্দুল্লাহ জানান ,আমার পরিবার কিছু বুঝে ওঠার আগেই মিজানুর রহমান নুরুল আমিন রেখা বেগম সহ তাড়াশ উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের কাজী হাবিবুর রহমানের সাথে যোগসাজশে কৌশলে নিকাহ নামায় আমার মেয়ের দেনমোহরের টাকা পরিশোধ দেখায় বিবাহের সময় আমার মেয়ের ব্যবহারের জন্য ছয় ভরি আট আনা সোনার গহনা প্রদান করা হয় বিয়ের কয়েকদিন পর প্রচারক মিজানুর রহমান ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে যৌতুকের টাকা দিতে না পারলে আমার নামের বাড়ি মিজানুর রহমানের নামে লিখে দেওয়ার জন্য আমার মেয়ে সুমাইয়া খাতুন নদির উপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করতে থাকে।

আমার মেয়ে সুমাইয়া খাতুন নদী এতে অসম্মতি জানালে গত ৫ আগস্ট আমার মেয়েকে ১ নং আসামী মিজানুর রহমান ২ নং আসামী নুরুল আমিন ৩ নং আসামী রেখা বেগম ৪ নং আসামী মোহনা খাতুন ৫নং আসামী নুর ইসলাম বেদম মারপিট করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এ সময় আমার বাড়ি থেকে দেয়া ছয় ভরি আট আনা সোনার গহনা রেখে সিটি গোল্ডের গহনা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। আমি জানতে পেরে মালয়েশিয়া থেকে গত ২৬ আগস্ট বাংলাদেশ এসে বিষয়টি ৯ নং কালিয়া হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুস সবুর শেখ কে অবহিত করার পর স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করলে মীমাংসা না করে বরং প্রতারণা করে তালাকনামা পাঠিয়ে দেয় এবং মিজানুর রহমান পলাতক থাকায় থানায় মামলা এজাহার ভুক্ত করলাম।আমি প্রতারক মিজানুর রহমানসহ নামীয় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..