রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ১১:০২ পূর্বাহ্ন

শান্তিরাম পাঁচগাছি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

শেখ মোঃ সাইফুল ইসলাম, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : শুক্রবার ২৮ আগস্ট, ২০২০
  • ২৬৪ বার পঠিত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের শান্তিরাম পাঁচগাছি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ মিলেছে।
সরকারী ভাবে শান্তিরাম পাঁচগাছি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি একতলা ভবন নির্মাণের বরাদ্দ পায়।
সেই বরাদ্দকৃত ভবনটি নির্মাণের জায়গা না থাকায়, বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনটি নিলামে বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কতৃপক্ষ।
এক পর্যায়ে বিদ্যালয়ের পুর্বের পরিত্যক্ত ভবনটি ফোরকানিয়া বাজার এলাকার দুই মসজিদে অনুদান করার জন্য একটি নিলাম টেন্ডার হয়।
সেই নিলামের অর্থ ঐ দুই মসজিদে অনুদান করার কথা ছিল।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে, শান্তিরাম পাঁচগাছি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনটি নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসাবে ক্রয় করেন নুরুল আমিন পিতা মৃত জব্বার।
উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর আলম, বিভিন্ন তালবাহানা করে, নিলামে বিক্রয় করা ভবনটি, নিলামের সর্বোচ্চ দরদাতা নুরুল আমিনকে এখন পর্যন্ত ভবনটি হ্যান্ড অভার করেন নি।
সেই পরিত্যক্ত ভবনটি আস্তে আস্তে প্রধান শিক্ষক নুর আলম, আজ দরজা, কাল জানালা, পরশু টিন, এমন ভাবে বাড়ি নিয়ে আত্মসাৎ করেন।
ভুক্তভোগী নুরুল আমিন সাংবাদকর্মীদের জানান, নিলামের অর্থ পরিশোধ করা হলেও এখন পর্যন্ত, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর আলম তাকে বঞ্চিত রেখেছেন।
এ বিষয়ে ফোরকানিয়া বাজার এলাকায় কয়েক জনের সঙ্গে কথা হলে, তারা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ তুলেধরে বলেন, তার অনিয়মের শেষ নেই।
সরকার ছাত্র ছাত্রী জন্য বিস্কুট দিলেও নুর আলম, সেই বিস্কুট তার বাড়ির গরুকে যাওয়ায়।
১৯/২০ অর্থ বছরে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণে সরকারী বরাদ্দের ২ লাখ টাকা লোপাট ঢাকতে শহীদ নির্মাণ করছেন।
গত ২৭ আগষ্ট শান্তিরাম পাঁচগাছি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, শহীদ মিনার নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, প্রধান শিক্ষক নুর আলম স্কুল অবকাঠামো নির্মাণে  সরকারী বরাদ্দের ২ লাখ টাকা ম্যানেজিং কমিটি না থাকায় লোপাটের উদ্যেশে ৩ নম্বর ইটা ও নিন্ম মানের খোয়ায় শহীদ মিনার নির্মাণ করছেন।
শহীদ মিনারের কাজে নিন্ম মানের ইটা খোয়া  ধামা চাঁপা দিতে তরিঘরি প্লাষ্টার ও ঢালাই কাজে মিস্ত্রিদের কে ব্যস্থ সময় কাটতে দেখা যায়।
একটি সুত্রে, জানা যায়, প্রধান শিক্ষক নুর আলম, নিজ এলাকায় দীর্ঘ ৬ বছর থেকে চাকুরী করে আচ্ছেন, ফলে বিদ্যালয়ে দিন দিন অনিয়মের ঘটনা ঘটেই চলছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর আলমের সঙ্গে কথা বলার জন্য মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দেয়া হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবী সরকারী বরাদ্দের ২ লাখ টাকার কাজের মূল্যায়ন ও শহীদ মিনার নির্মাণে উপকরণ সমুহের গুণগত মান পরীক্ষসহ  সরকারের বরাদ্দ কৃত ২ লাখ টাকার নাম মাত্র কাজে শহীদ মিনার নির্মাণ করে সিংহভাগ টাকা লোপাটের বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে আইন গত ব্যবস্থার গ্রহণের দাবী জানান।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..