মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১১:০৮ অপরাহ্ন

বেনাপোলের দোকানে বিক্রয় করা হচ্ছে মেয়াদ উত্তীর্ণ ডিম

সময়ের সংবাদ ডেস্ক
  • Update Time : সোমবার ১৭ আগস্ট, ২০২০
  • ৪১২ বার পঠিত

মোঃ আঃ রহিম বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের বেনাপোল বাজারে কিছুদিন আগে একটা ডিমের গাড়ির চারপাশে। অনেক লোক এর ভিড় দেখে আগ্রহ নিয়ে গেলে দেখা যায় গাড়ি থেকে ডিম নামাচ্ছে।এসময় খাদ্য অধিদপ্তরের অফিসাররা তাদেরকে জরিমানা করলে, কারন জানতে চাইলে? হাতে ডিম দিলে ডিম দেখেই গা শিউরে উঠার মত। মানুষের বয়স ১০০ ওপরে হলে ঠিক যেমনি চামড়ায় ভাঁজ আসে ঠিক তেমনি কয়েক টাতে টিউমার ও আছে।

অফিসাররা ওই ডিম পরীক্ষা করে জানান, ডিমের ভেতরে ব্যাকটেরিয়া পেয়েছে। তাদের ডিম গুলা ধ্বংস করে খাদ্য অফিসাররা এবং জরিমানাও করেন।এসময়, তাদেরকে কোয়ালিটিফুল ডিম আনতে বলা হলে তারা পারে নি।

এখান থেকেই শুরু কালোবাজারির ছোবল, শুরু হয় নীল নকশা রাজনৈতিতে কোন ইস্যুছিল না তারা ডিমকে পুজি করে শুরু করলো। অপরাজনীতি, মিথ্যাকে সত্য আর সত্যকে মিথ্যা এটাইতো এক নেতার চরিত্র।

ডিম ব্যাবসায়িদেরকে ডাকলো প্রস্তাব ও দিল তাদেরকে ব্যাবসায়িক পার্টনার হওয়ার তারা প্রত্যাক্ষান করলো রাজি হল না ব্যবসায়িরা।লজ্জা লজ্জায় মরি থেমে নেই তারা আগষ্ট মাসের অনুষ্ঠানে শুরু হল সিন্ডিকেটের টাকার ছড়া ছড়ি।

রহমতকে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকার বান্ডিল পাঠালো ঝিকরগাছা থেকে নাও ঠেলা টাকার বান্ডিল হাতে পেয়ে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিরবুর রহমানকে ভুলে গিয়ে শুরু হল সমালোচনা। টাউট বাটপার কাকে বলে ওর বক্তব্য না শুনলে মেলাতে পারবেন না।

সুত্রে জানা যায়, খামারে একটা মুরগি বড় করতে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা খরচ এর সাথে একটা ভ্যাকসিন ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা এতে মোট খরচ দাড়ায় প্রায় ৩১০টাকা মত। কিন্তু একটা মুরগি কি ৩১০ টাকায় বেঁচতে পারবে? পারবে না এই জন্যই বেশির ভাল খামারিরা ভ্যাকসিন ব্যবহার করে না ফলে খাদ্য সুত্রে জানা গেছে, ওই ডিমটার টেম্পার থাকে ২/৩ দিন তার পরে ওটাতে ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। একটা মুরগিকে যখন ভ্যাকসিন দেওয়া হয় না তখন মুরগিটা যত বয়স হবে তত বেশি রোগ আক্রান্ত হবে। ঠিক যেমনি আমাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরে নানান রোগ দেখা দেয় ঠিক তেমনি মুরগির ক্ষেত্রে ও একই রকম।বর্তমান সময়ে আমরা ৭/৮ সস্তা দামে যেটা পাই সেটাই কিনি।

আমাদের এই ধরনের মন-মানসিকতা আছে কোয়ালিটিফুল জিনিস কেনার। যখন একটা জিনিসের কোয়ালিটি গুনাগত মান ঠিক রাখতে হবে তখন কিন্তু স্বাভাবিক ভাবেই খরচ বেশি পরবে। ৭/৮ টাকা দিয়ে একটা ডিম কিনি বটে তবে সেটা কতটুকু স্বাস্থ্য সম্মত সেই দিকটা যেন আমরা নজরে রাখি না। একটা যুবক আর একটা বয়স্ক এতটুকু পার্থক্য আমরা করতে তো পারি।

বিশ্বস্থ সুত্রে ও সরেজমিনে আরো জানা গেছে, যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল বাজারে সালাম ও আলমগীর নামের অবৈধ ডিম ডিলার ব্যবসায়ী। পার্শ্ববর্তী উপজেলার ঝিকরগাছার গতখালী সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ মান কোয়ালিটি নষ্ট ডিম এনে। পাইকারি ও খুচরা বিক্রীর মাধ্যমে ব্যবসা করছে। চারটা ডিমের দোকানের ‘ডিমের ছবি’ বাকি সিদ্ধান্তটা আপনাদের। বেনাপোল বাজারে যদি কোন অসাধু দোকানদার বেশি দামে ডিম বিক্রি করে তবে তার দায় কি Afil layer farm limited নিবে কেন? নিলে বা আমরা কেন নিবো। কোম্পানির যেই নিদিষ্ট পয়েন্ট আছে তারা বেশি দামে বিক্রি করলে তার দায় ভার তারা নিবে। উপরের ছবিগুলা বেনাপোল বাজারে যে ডিমের দোকান গুলা আছে তাদের দোকানের ডিমের চিত্র বাকিটা আপনার পচ্ছন্দ।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..