সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৫:২০ অপরাহ্ন

News Headline :
তাড়াশে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালিত তাড়াশে ছাত্রলীগ নেতা ছোটনের ধুমধামে জন্মদিন পালিত তাড়াশে এমপি আজিজের পূজা মন্ডপ পরিদর্শন তাড়াশে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন আওয়ামীলীগ নেতা শামীম সরকার তাড়াশে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহেল বাকীর পূজা মন্ডপ পরিদর্শন। তাড়াশে শারদীয় দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী হান্নান তাড়াশে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর উঠান বৈঠক যেন জনসভায় পরিণত তাড়াশে চেয়ারম্যান প্রার্থীর উঠান বৈঠক যেন জনসভায় পরিণত তাড়াশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে গাছের চারা বিতরণ তাড়াশে নওগাঁ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল।

সিংড়ারায় ১২ নং খাজুরা ইউনিয়ন পরিষদে থাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত

আমিনুল হক, সিংড়া,(নাটোরে)প্রতিনিধি:
  • Update Time : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২০
  • ১৫০ বার পঠিত

স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে নাটোরে সিংড়া ১২ নং রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়ন পরিষদে পালিত হয়েছে। শনিবার করোনা পরিস্থিতির জন্য সীমিত আকারে দিবসটি পালিত হয়। অনুষ্ঠানে জাতীয়, দলীয় ও কালো পতাকা উত্তলনের মধ্যোদিয়ে আনুষ্ঠান শুরু করা হয়। আনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন,ইদ্রিস আলী। এছারাও আরো উপস্থিত ছিলেন,সহ-সভাপতি জাকির হোসেন,আব্দুল মান্নান,হন্নান শাহরিয়ার,সাধারন সম্পাদক মুকুল হোসেন,যুগ্নসাধারন সম্পাদক মুন্টু মিয়া,যুবলীগ সভাপতি হুময়ন কবির, সাধারন সম্পাদক আব্দুস সালাম সহ আওয়ামীলীগ ছাত্রলীগ যুবলীক শ্রমিকলীগ সেচ্ছাসেবকলীগের সকল অঙ্গসংগঠনের নেতাবিন্দু। সভাপতির সাগত বক্তব্যের মধ্যো দিয় একে একে সকল নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি,হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বঙলী,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সককল শহীদদের আত্তার মাগফিরাত কামনা করেন। এসময় সকলে দাড়িয়ে ১ মিনিট নিরোবতা পালন করা হয়। বক্তারা বলেন,বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাংলার মানুষের জন্য উজ্বল নক্ষত্র। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য অংশ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারন করতে হবে। তার নেতৃত্ব ছিলো বলিষ্ঠ।কিছু কুচক্র মহল সরযন্ত্রের মধ্যোমে বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীন বাংলাদেশে বাচতে দেওয়া হয়নি। বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবাবের ১৭ জন সদস্যকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। ভাগ্যের জোরে বেচে গিয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তার বোন শেখ রেহেনা। তারা আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারন করতে হবে। শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করতে হবে। যে বাংলায় বঙ্গবন্ধু বেচে থাকতে পারেনি, সেই বাংলায় তার খুনিদের স্থান দেওয়া হবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার শুরু করেন। অনেক খুসির ফাসি হলেও এখনো কিছু খুনিরা পালিয়ে আছেন। তাদের অনতি বিলম্বে বাংলার মাটিতে বিচারের দাবী জানান।

আলোচনা শেষে বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদদের আত্তার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..