রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ১২:১২ অপরাহ্ন

News Headline :
সারাদেশে বিএনপির অরাজকতার সৃষ্টির প্রতিবাদে তাড়াশে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল তাড়াশে শেয়াল মারার ফাঁদে শিশুর মৃত্যু তাড়াশে পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি হলেন রজত ও সাধারণ সম্পাদক আনন্দ ঘোষ তাড়াশে উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হলেন মিনি ও সাধারণ সম্পাদক টুনি তাড়াশে ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক কমিটি অনুমোদন তাড়াশে মরা মানুষের টাকাসহ ৪ শিক্ষকের বেতন ভাতা আত্মসাতের অভিযোগ মাদ্রাসার ২ জন সুপারের বিরুদ্ধে তাড়াশে ধান কাটার শ্রমিকের সংকট তাড়াশে কৃষি শ্রমিকদের মারধর, ৮ জন আহত তাড়াশে শিশু কন্যা আটকে রেখে মাকে নির্যাতন, থানায় অভিযোগ তাড়াশে খেলার মাঠের জন্য মানববন্ধন

হ্যান্ড স্যানিটাইজার পান করে ভারতে ১০ জনের মৃত্যু

সময়ের সংবাদ ডেস্কঃ
  • Update Time : শনিবার ১ আগস্ট, ২০২০
  • ২৪১ বার পঠিত

মদের দোকান বন্ধ থাকায় অ্যালকোহল দিয়ে বানানো হ্যান্ড স্যানিটাইজার পান করে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের একটি গ্রামে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।স্থানীয় পর্যায়ে নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে দেখে কর্তৃপক্ষ কুরিছেদু নামে ওই গ্রামে লকডাউন দিয়েছিল। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অন্ধ্র প্রদেশে শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগী ও মৃতের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।কুরিছেদু গ্রামটির অবস্থান প্রাকাসম জেলায়। জেলার পুলিশ প্রধান সিদ্ধার্থ কৌশল জানান, মদের দোকান খোলা না থাকায় কুরিছেদুর নেশায় আসক্ত বেশ কয়েকজন বাসিন্দা পানি ও কোমল পানীয় মিশিয়ে স্যানিটাইজার খেয়েছিলেন। নিহতদের মধ্যে তিন ভিক্ষুকও আছে বলে জানিয়েছে আনন্দবাজার। এদের মধ্যে দু’জন স্থানীয় একটি মন্দিরের চত্বরে ভিক্ষা করতেন। বৃহস্পতিবার রাতে একসঙ্গে স্যানিটাইজার পানের সঙ্গে সঙ্গেই একজনের মৃত্যু হয়। অন্যজন পরে হাসপাতালে মারা যান।আনন্দবাজার জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে একজন মদের সঙ্গে স্যানিটাইজার মিশিয়ে খেয়েছিলেন। বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনিও। হাসপাতালে নিয়ে যেতে যেতে রাস্তাতেই মৃত্যু হয় তার। শুক্রবার সকালে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় আরও ছ’জনকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে তাদেরও মৃত্যু হয়েছে।“অ্যালকোহলে ভয়াবহ আসক্ত কয়েক ব্যক্তি নেশার জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার পান করেন। লকডাউনের কারণে অ্যালকোহল সহজলভ্য না থাকলেও স্যানিটাইজার সহজেই পাওয়া যায়,” বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এমনটাই বলেছেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।ভারতের বিভিন্ন এলাকায় সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি দেখা গেলেও অর্থনীতিকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার এরই মধ্যে বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দিয়েছে।অনেক রাজ্য সংক্রমণের ‘হটস্পটগুলোতে’ লকডাউন দিয়ে বাকি এলাকায় বিধিনিষেধ শিথিল করেছে।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..