সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০১:২১ অপরাহ্ন

News Headline :
তাড়াশে সদ্য যোগদানকৃত শিক্ষা অফিসার ও নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের বরণ অনুষ্ঠান তাড়াশে ২ হাজার শীতার্তদের মাঝে এমপি আজিজের কম্বল বিতরণ বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে রাতে বিয়ে বাড়িতে ইউএনও তাড়াশে ৭০লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ একজন আটক তাড়াশে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় সুরক্ষার জন্য স্পিড ব্রেকার দিলেন ছাত্রলীগ তাড়াশে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে ব্যানারে বঙ্গবন্ধুর ছবি না থাকায় অনুষ্ঠানে আসেননি চেয়ারম্যান ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচার করায় প্রতিবাদ ২৬ দিনেও তদন্ত শেষ হয়নি, উদ্ধার হয়নি আট লক্ষাধিক টাকার ওষুধ তাড়াশে এক দিনের ব্যবধানে আরেকজন স্কুল ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা সফল করার লক্ষ্যে তাড়াশে যৌথ কর্মীসভা

চরফ্যাশনে স্কুল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরকারি বিস্কুট আত্মসাৎের অভিযোগ

সময়ের সংবাদ ডেস্ক
  • Update Time : বুধবার ২০ মে, ২০২০
  • ২৮৭ বার পঠিত

জিহাদুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি:

ভোলা চরফ্যাশনের মাদ্রাজ ইউনিয়নে অবস্থিত পুর্বমাদ্রাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডব্লিউ এফ পি এর অর্থায়নে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার দরিদ্র পীড়িত এলাকায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির অধিনে প্রদত্ত বিষ্কুট আত্মসাৎের অভিযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ব করোনাভাইরাস মহামারিতে সংক্রমন ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমে বেড়েই চলেছে।এখন পর্য়ন্ত এ ভাইরাসের মুল প্রতিকারক সতর্কতা ও জনসমাগম এরিয়ে চলা।তাই বাংলাদেশ সরকার সংক্রমনে প্রথম পর্য়ায়েই সমস্ত স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা বন্ধ ঘোষনা করেছেন।কিন্তু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো বন্ধ থাকায় এই কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র এলাকার শিশুরা বিস্কুট না পেয়ে ভুগছিলো পুষ্টিহীনতায়।এমনি অবস্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে প্রাথামিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক শিদ্ধান্ত নেয় যেসব স্কুলগুলো এই কর্মসূচির আওতায় আছে সেসব স্কুলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ৫০প্যাকেট করে প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে দেওয়ার।তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার ভোলা জেলায় চরফ্যাশনের বেশিরভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিষ্কুট বিতরন করা হয়।

কিন্তু চরফ্যাশনের পুর্বমাদ্রাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫০প্যাকেট করে বিষ্কুট বিতরনের পরিবর্তে ২০-২৫ প্যাকেট করে বিষ্কুট বিতরনের অভিযোগ পাওয়া যায়।

সরেজমিন পরিদর্শন করে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষর্থীদের সাথে কথা বলে ঘটনার পুরো সত্যাতা পাওয়া যায়।শিক্ষার্থীরা অনেকেই বলছেন ৩০প্যাকেটের উপরে কোনো শিক্ষার্থীকেই দেওয়া হয় নাই।তাহলে বাকি বিস্কুটগুলো গেলো কোথায়?

এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর স্যারের সাথে মুঠোফোনে ০১৭১০৬২০৮১১ এই নাম্বারে কথা বললে তিনি অভিযোগটি অস্বীকার করে ৫০প্যাকেট করে দিয়েছেন বলে জানান।তিনি বলেন,যেসব শিশুরা এ বিষয়ে অভিযোগ করছে তাদের বিরুদ্ধে আমি এ্যাকশনে যাবো।

স্থানীয়রা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও বিচার দাবি করেছেন।তাদের প্রশ্ন শিশুরা সবসময় সত্য বলে তাই কি তাদের বিরুদ্ধে যাবেন প্রধান শিক্ষক?

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..