বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন

News Headline :
তাড়াশে সদ্য যোগদানকৃত শিক্ষা অফিসার ও নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের বরণ অনুষ্ঠান তাড়াশে ২ হাজার শীতার্তদের মাঝে এমপি আজিজের কম্বল বিতরণ বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে রাতে বিয়ে বাড়িতে ইউএনও তাড়াশে ৭০লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ একজন আটক তাড়াশে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় সুরক্ষার জন্য স্পিড ব্রেকার দিলেন ছাত্রলীগ তাড়াশে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে ব্যানারে বঙ্গবন্ধুর ছবি না থাকায় অনুষ্ঠানে আসেননি চেয়ারম্যান ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচার করায় প্রতিবাদ ২৬ দিনেও তদন্ত শেষ হয়নি, উদ্ধার হয়নি আট লক্ষাধিক টাকার ওষুধ তাড়াশে এক দিনের ব্যবধানে আরেকজন স্কুল ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা সফল করার লক্ষ্যে তাড়াশে যৌথ কর্মীসভা

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবেলায় বাংলাদেশ পুলিশের সহায়তা

সময়ের সংবাদ ডেস্ক
  • Update Time : মঙ্গলবার ১৯ মে, ২০২০
  • ১১৯ বার পঠিত

ডেস্ক নিউজ:

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবেলায় বাংলাদেশ পুলিশের সহায়তা নিন।

চলমান করোনা সংকটের মধ্যে আরেক দুর্যোগের নাম ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০ মে ২০২০ খ্রিঃ বুধবার বিকাল বা সন্ধ্যা নাগাদ এটি বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে। করোনা সংকটের মতো ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ক্ষয়ক্ষতি থেকে মানুষের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিতে সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত বাংলাদেশ পুলিশ।

আম্ফানের মতো শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে জনগণের সহযোগিতার একান্ত প্রয়োজন। এজন্য ঘূর্ণিঝড়ের দেশের সম্মানিত নাগরিকগণকে কিছু বিষয় অনুসরণ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

আবহাওয়া অফিসের ঘোষণা অনুযায়ী যেসব এলাকায় আম্ফানের আঘাত হানার জোরালো আশংকা রয়েছে, সেইসব এলাকার লোকজন যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিন। আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার সময় পারলে শুকনো খাবার ও খাবার পানি সঙ্গে নিন। রাতে চলাচলে প্রয়োজনে হয় এমন সব ইলেকট্রনিক উপকরণ যেমন লাইট, ব্যাটারি ইত্যাদি সাথে রাখুন। গৃহপালিত পশুপাখি যতটা সম্ভব নিরাপদ ও উঁচুস্থানে রাখুন।

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে জলোচ্ছ্বাস হওয়ার আশংকা রয়েছে। তাই, ঘূর্ণিঝড় চলাকালে অবশ্যই নিরাপদ স্থানে অবস্থান করবেন। ঘরে থাকা বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, গ্যাসের চুলা যতটা সম্ভব বন্ধ রাখুন। জীবন ধারণের জন্য প্রয়োজন পড়ে এমন অতি প্রয়োজনীয় খাদ্য ও অন্যান্য দ্রব্যসামগ্রী অবশ্যই পানি নিরোধী পলিথিন কিংবা শুকনো থাকবে এমন বস্তু দিয়ে ভালোভাবে মুড়িয়ে সংরক্ষণ করুন।

চলছে করোনাকাল। তাই আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার সময় অবশ্যই স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী যেমন মাস্ক, গ্লোভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার নিতে ভুলবেন না। যতটা সম্ভব সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই অবস্থানের চেষ্টা করুন। ঘূর্ণিঝড়ের পরে উদ্ধার অভিযানের রেসকিউ সামগ্রী ও রেসকিউ বোর্টের জন্য প্রয়োজন পড়তে পারে। এজন্য উদ্ধারের কাজে লাগতে পারে যেমন স্পিডবোট, রেসকিউ বোট, নৌকা, লাইফ জ্যাকেটসহ অন্যান্য সামগ্রী ভালোভাবে সংরক্ষণ করুন।

ঘূর্ণিঝড় থেকে সুরক্ষিত থাকতে আশ্রয়কেন্দ্রে নিজে যান। অপরকেও আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য উদ্ভুদ্ধ করুন। এ ব্যাপারে যেকোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক কিংবা পুলিশের সহায়তা নিন। যেকোনো প্রয়োজনে স্থানীয় পুলিশের স্থানীয় ইউনিটের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে যেকোনো তথ্য কিংবা ঘূর্ণিঝড়ের কারনে প্রয়োজন হতে পারে এমন যেকোনো সহযোগিতার জন্য সদা প্রস্তুত বাংলাদেশ পুলিশ। ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবেলায় পুলিশের সহায়তা নিন। নিজে সুরক্ষিত থাকুন, অপরকেও সুরক্ষিত রাখুন।

সর্বদাই জনগণের পাশে, বাংলাদেশ পুলিশ

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..