সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:৫৯ অপরাহ্ন

News Headline :
তাড়াশে সদ্য যোগদানকৃত শিক্ষা অফিসার ও নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের বরণ অনুষ্ঠান তাড়াশে ২ হাজার শীতার্তদের মাঝে এমপি আজিজের কম্বল বিতরণ বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে রাতে বিয়ে বাড়িতে ইউএনও তাড়াশে ৭০লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ একজন আটক তাড়াশে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় সুরক্ষার জন্য স্পিড ব্রেকার দিলেন ছাত্রলীগ তাড়াশে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে ব্যানারে বঙ্গবন্ধুর ছবি না থাকায় অনুষ্ঠানে আসেননি চেয়ারম্যান ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচার করায় প্রতিবাদ ২৬ দিনেও তদন্ত শেষ হয়নি, উদ্ধার হয়নি আট লক্ষাধিক টাকার ওষুধ তাড়াশে এক দিনের ব্যবধানে আরেকজন স্কুল ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা সফল করার লক্ষ্যে তাড়াশে যৌথ কর্মীসভা

প্রচুর ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে উপকূলীয় এলাকায়

সময়ের সংবাদ ডেস্ক
  • Update Time : মঙ্গলবার ১৯ মে, ২০২০
  • ১০৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের দাপট শুরু হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে প্রচুর ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে উপকূলীয় এলাকায়।

আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর ১ টার দিকে ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় নদীতে ঢেউ ও পানি বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুণ। ধীরে ধীরে বাড়ছে এর গতিবেগ।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আ.ন.ম আবুজর গিফারী গণমাধ্যমকে বলেন, উপকূলীয় এলাকায় ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ঝড়ের আগে বৃষ্টি হবে- এটাই স্বাভাবিক। আগেও আমাদের বৃষ্টির মধ্যে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আশা করছি, উপকূলীয় বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে সমস্যা হবে না। আমাদের টিম কাজ করছে।

তিনি আরোও বলেন, ইতোমধ্যে দুই হাজার মানুষকে আমরা নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়েছি। দুর্যোগ পরবর্তী সময়ের জন্য উদ্ধারকাজে সহায়তা করতে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ডের দল প্রস্তুত। মেডিকেল টিমও আমরা প্রস্তুত রেখেছি।

এদিকে যথাসময়ে আশ্রয়কেন্দ্রে আসার জন্য উপকূলজুড়ে চলছে মাইকিং।

আশাশুনি উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মীর আলিফ রেজা বলেন, সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের কারণে উপজেলার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখা হয়েছে। নির্বাচিত ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালনার জন্য (প্রতি কেন্দ্রে) ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন, সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক ফ্লোরে তিন সেট করে চাবি প্রস্তুত করে যথাস্থানে রাখাসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ঝড়ে জানমাল রক্ষায় সবাইকে নিরপদ আশ্রয়ে সজাগ থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামালের নির্দেশে জেলার সাতটি উপজেলায় প্রস্তুতিসভা করে সভাও করা হয়েছে।

প্রতিটি উপজেলায় গঠন করা হয়েছে মেডিক্যাল টিম। জেলা উপজেলায় গঠিত মেডিক্যাল টিমের সদস্যদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

নিরাপদ এসব সেন্টারে এক লাখ ২০ হাজার মানুষকে নিয়ে আসার কাজ চলছে। সাইক্লোন সেল্টারে উপকূলের মানুষদের নিয়ে আসার জন্য ২৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে।

করোনাকালে আশ্রয়কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টিও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। খোলা হয়েছে দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ।

জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জানা গেছে, নির্বাহী ম্যজিট্রেটের নেতৃত্বে শ্যামনগরের দ্বীপ এলাকা পদ্মপুকুর ও গাবুরা ইউনিয়নের নারী শিশু ও বৃদ্ধদের নৌকাযোগে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসার কাজ চলছে।

উপকূলের বেড়িবাঁধের ৩৭টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাঁরা সেখানে দায়িত্ব পালনে যাচ্ছেন।

জেলায় ১৪৭টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র আছে। আগে থেকেই সবগুলো আশ্রয়কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপদ্রুত এলাকায় এক হাজার ৭৯৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে। সেগুলোকে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

ইতিমধ্যে উদ্ধারকারী দল নির্দেশনা অনুযায়ী উপকূল এলাকায় কাজ শুরু করেছে। আশ্রয়কেন্দ্রের মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরো সহায়তা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..