সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:১৩ অপরাহ্ন

News Headline :
তাড়াশে সদ্য যোগদানকৃত শিক্ষা অফিসার ও নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের বরণ অনুষ্ঠান তাড়াশে ২ হাজার শীতার্তদের মাঝে এমপি আজিজের কম্বল বিতরণ বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে রাতে বিয়ে বাড়িতে ইউএনও তাড়াশে ৭০লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ একজন আটক তাড়াশে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় সুরক্ষার জন্য স্পিড ব্রেকার দিলেন ছাত্রলীগ তাড়াশে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে ব্যানারে বঙ্গবন্ধুর ছবি না থাকায় অনুষ্ঠানে আসেননি চেয়ারম্যান ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচার করায় প্রতিবাদ ২৬ দিনেও তদন্ত শেষ হয়নি, উদ্ধার হয়নি আট লক্ষাধিক টাকার ওষুধ তাড়াশে এক দিনের ব্যবধানে আরেকজন স্কুল ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা সফল করার লক্ষ্যে তাড়াশে যৌথ কর্মীসভা

সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দোকান গুলোতে চলছে ঈদ উৎসব

সময়ের সংবাদ ডেস্ক
  • Update Time : মঙ্গলবার ১৯ মে, ২০২০
  • ৩৫৩ বার পঠিত

ওলিউর রহমান অপু :

কুষ্টিয়া সদর উপজেলা হাটশ হরিপুর ইউনিয়নে প্রশাসনের নির্দেশনা তোয়াক্কা করে চালিয়ে যাচ্ছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান । করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে চালিয়ে যাচ্ছে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ক্রয় বিক্রয় । হাটশ হরিপুর ইউনিয়নে অধিকাংশ দোকানপাট খোলা রাখার কারণে জনসাধারণের মধ্যে আকঙ্কের ছাপ দেখা দিয়েছে । প্রায় এক লক্ষ মানুষের বসবাস হাটশ হরিপুর ইউনিয়নে । শিশু সহ বয়স্করা রয়েছে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে । কিছু অসাধু মুনাফা লোভী ব্যবসায়ীরা মানছেন না সরকারি ঘোষণা বা নির্দেশনা । হাটশ হরিপুর ইউনিয়নে বাজারের বিভিন্ন দোকান ঘুড়ে দেখা যায় বয়স্ক মহিলা সহ বিভিন্ন বয়সী শিশু সহ তরুণীরা পোশাক সেন্ডেল ও কসমেটিক এর দোকানে পদচারণায় পরিপূর্ণ দোকান এ ছাড়াও টিভি ফ্রিজ ফার্নিচার ও চায়ের দোকানে ব্যাপক লোক সমাগম সৃষ্টি হচ্ছে । অনেকেই বলছেন কুষ্টিয়া প্রান কেন্দ্র এন এস রোডের সকল প্রকার দোকান বন্ধ থাকায় গ্ৰামের দোকান গুলোতে ভিড় জমেছে অতিরিক্ত । এছাড়াও শহরের দোকানপাট বন্ধ থাকায় এই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে চলছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান । এছাড়াও পুলিশ ও সেনাবাহিনী টহল দিতে আসলে তারা দোকানের ঝাঁপ বন্ধ করে দোকানের মধ্যে অবস্থান কিনবা দূত পালিয়ে যাচ্ছে অন্যত । প্রশাসনের গাড়ি চলে গেলে আবার অবস্থান করছে অসাধু মুনাফা লোভী ব্যবসায়ীরা । এসময় অনেকেই বলেন যারা কিছু দিন আগেও ত্রাণ সামগ্রী গ্ৰহন করেছেন তাড়াই আবার দোকান গুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন । সুশীল সমাজের প্রতিনিধি রা বলছেন আশ্চর্য হলেও সত্য যারা অভাব অনাটনের মধ্যে দিয়ে জীবন যাপন করছেন তাড়াই আবার শপিং করার জন্য টাকা পাচ্ছে কোথায় । এবিষয়ে শুধু দোকানদারদের আইনের আওতায় আনলে হবে না পাশাপাশি ক্রেতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে তাহলে করোনা প্রতিরোধে কার্যকরী তা বৃদ্ধি পাবে । এছাড়াও প্রশাসন কে আরো কঠোর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন । এছাড়াও তরুণ প্রজন্মের নেতা আব্দুল কাদের বলেন এই ঈদের শপিং করার পাশাপাশি যেন কাফনের কাপড় টা ক্রয় করে মানুষ রেখে দেয় হয়ত পরে নাও পেতে পারে ।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..