বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

News Headline :
তাড়াশে সদ্য যোগদানকৃত শিক্ষা অফিসার ও নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের বরণ অনুষ্ঠান তাড়াশে ২ হাজার শীতার্তদের মাঝে এমপি আজিজের কম্বল বিতরণ বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে রাতে বিয়ে বাড়িতে ইউএনও তাড়াশে ৭০লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ একজন আটক তাড়াশে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় সুরক্ষার জন্য স্পিড ব্রেকার দিলেন ছাত্রলীগ তাড়াশে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে ব্যানারে বঙ্গবন্ধুর ছবি না থাকায় অনুষ্ঠানে আসেননি চেয়ারম্যান ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচার করায় প্রতিবাদ ২৬ দিনেও তদন্ত শেষ হয়নি, উদ্ধার হয়নি আট লক্ষাধিক টাকার ওষুধ তাড়াশে এক দিনের ব্যবধানে আরেকজন স্কুল ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা সফল করার লক্ষ্যে তাড়াশে যৌথ কর্মীসভা

অনলাইন ক্লাসে ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থীর ‘না’

সময়ের সংবাদ ডেস্ক
  • Update Time : সোমবার ১৮ মে, ২০২০
  • ২১৯ বার পঠিত

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকতে পারে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সকল সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে অনলাইনে ক্লাশ নেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শুরু করেছে অনলাইন ক্লাসের প্রক্রিয়া। কথা উঠছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট কমিয়ে আনতে অনলাইন ক্লাসের যৌক্তিকতা নিয়েও।

সবমিলিয়ে অনলাইনে ক্লাস করার ব্যাপারে কী ভাবছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা তা জানতে অনলাইন জরিপের আয়োজন করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব। জরিপের ফলাফল অনুযায়ী প্রায় ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী অনলাইনে ক্লাসে অনীহা প্রকাশ করেছেন।

রোববার (১৭মে) রাত ৮.৩০ থেকে সোমবার (১৮মে) দুপুর ৩.৩০ পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপ থেকে চালানো অনলাইন জরিপে অংশ নেন ১,২২৬ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে অনলাইনে ক্লাস করাতে অনীহা প্রকাশ করেন ১,০৯৭জন শিক্ষার্থী। যা জরিপে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ৮৯.৪৮ শতাংশ।

এছাড়াও অনলাইনে ক্লাসের পক্ষে মতামত দেন ১১৩ জন শিক্ষার্থী। যা জরিপে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ৯.২২ শতাংশ। কোনো মতামত নেই এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ জন। যা জরিপে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ১.৩ শতাংশ।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, অধিকাংশ শিক্ষার্থী এখন গ্রামে অবস্থান করছেন। গ্রামে পর্যাপ্ত ইন্টারবেট পরিসেবার যেমন অভাব তেমনি সব শিক্ষার্থীর অনলাইনে ক্লাশ করার জন্য ইন্টারনেটে পরিসেবা ক্রয়ের আর্থিক সামর্থ্যও নেই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী ওহিদুজ্জামান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর যদি অনলাইন সুবিধা না থাকে তাহলেতো ক্লাস নেওয়া সম্ভব না। যদি ধরে নিই, ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থীর অনলাইনে ক্লাস করারা সুযোগ আছে, তাহলে বাকি ২০ শতাংশ শিক্ষার্থীতো বাদ যাচ্ছেই।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..