মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:২২ অপরাহ্ন

News Headline :
তাড়াশে পুকুর খননের প্রতিবাদে মডেল প্রেসক্লাবের মানববন্ধন তাড়াশে মডেল প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন তাড়াশে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ম্যাগনেট আঃলীগের মনোনয়ন পেয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ তাড়াশে বিজয় দিবস বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে ভোট কেন্দ্র পরিবর্তন না করার দাবীতে মানববন্ধন তাড়াশে স্কুলের সভাপতি হলেন আওয়ামীলীগ নেতা জহুরুল ইসলাম মাষ্টার মাটির চুলায় খড়-কুটোর রান্না তাড়াশে বাল্য বিবাহ ও ধর্ষণকে লাল কার্ড তাড়াশ উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য পদ পেলেন জিল্লুর রহমান তাড়াশ উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য হলেন সাইদুর রহমান

লাকসাম অর্ধশত বেসরকারি শিক্ষকদের মানবেতর জীবন 

সময়ের সংবাদ ডেস্ক
  • Update Time : বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল, ২০২০
  • ৮৭ বার পঠিত

রবিউল হোসাইন সবুজ,(স্টাফ রিপোর্টার):

মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে বেসরকারিভাবে পরিচালিত কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার অর্ধশত কিন্ডারগার্টেন, স্কুল ও কলেজ কার্যক্রম। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়া এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিচালক ও শিক্ষক-কর্মচারীদের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। ফলে নিম্নবিত্ত মানুষরাই সব সময় ত্রাণ পাচ্ছেন। কিন্তু করোনায় কর্মহীন হয়েপড়া বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা মানবেতরভাবে জীবন যাপন করছেন। ত্রাণের জন্য পারছেন না লাইনে দাঁড়াতে, আবার ক্ষুধা নিবারণের খাদ্যও নেই ঘরে।

লাকসাম উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় অর্ধশত মতো বেসরকারি স্কুল ও কলেজ রয়েছে। প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী এসব প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করছে। এদের মধ্যে সমাপনী,জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় লাকসাম উপজেলায় শীর্ষস্থানও এসব প্রতিষ্ঠান ধরে রেখেছে।

এর ফলে অনেক বাবা-মা তার সন্তানদের কিন্ডারগার্টেনে, বেসরকারি স্কুল ও কলেজ ভর্তি করে। লাকসাম কিন্ডারগার্টেন, বেসরকারি স্কুল এন্ড কলেজগুলোতে কর্মরত আছেন প্রায় ১০০০ শিক্ষক-কর্মচারী। প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের বেতনও বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে এসব শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন। এর ফলে কোনোদিক থেকেই তারা উপার্জন করতে পারছেন না। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের অর্থবিত্ত না থাকলেও সমাজে তারা শিক্ষক হিসেবে পরিচিত।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা বলেন,দুঃখের কথা সরকারি প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের বেতনে চলে। একমাত্র প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করা শিক্ষকরা বেতন না পেয়ে দুর্বিষহ জীবন-যাপন করছেন। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠান ভাড়ার জন্য ঘর মালিক চাপ সৃষ্টি করছে। বিপাকে পড়ে করোনার মধ্যে মাঠে নামতে বাধ্য হয়েছি।’

ফলে তারা না পারছে লাইনে দাঁড়িয়ে ত্রাণ নিতে, না পারছে মুখ ফুটে কাউকে কিছু বলতে। লাকসাম উপজেলা বেসরকারি স্কুল শিক্ষক জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রীর নিকট অনুরোধ করেন-অর্থ না থাকলেও শিক্ষক পরিচিতির কারণে আমরা অন্যের নিকট সাহায্য চাইতে পারি না। চলমান দুর্যোগে আমাদের শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারি সহায়তার আবেদন জানাচ্ছি।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে দেখা করবেন বলে জানিয়েছেন এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক। দেখি তাদের জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে কী সহায়তা দেওয়া যায়।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..