মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৫০ অপরাহ্ন

News Headline :
তাড়াশে পুকুর খননের প্রতিবাদে মডেল প্রেসক্লাবের মানববন্ধন তাড়াশে মডেল প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন তাড়াশে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ম্যাগনেট আঃলীগের মনোনয়ন পেয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ তাড়াশে বিজয় দিবস বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে ভোট কেন্দ্র পরিবর্তন না করার দাবীতে মানববন্ধন তাড়াশে স্কুলের সভাপতি হলেন আওয়ামীলীগ নেতা জহুরুল ইসলাম মাষ্টার মাটির চুলায় খড়-কুটোর রান্না তাড়াশে বাল্য বিবাহ ও ধর্ষণকে লাল কার্ড তাড়াশ উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য পদ পেলেন জিল্লুর রহমান তাড়াশ উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য হলেন সাইদুর রহমান

করোনার ঝুঁকিতে কোনাখালী ইউনিয়ন

সময়ের সংবাদ ডেস্ক
  • Update Time : বুধবার ২৯ এপ্রিল, ২০২০
  • ৫১ বার পঠিত

চকরিয়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ

করোনার সংক্রামণ এড়াতে যেখানে সকল প্রকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মার্কেট, কলকারখানা, যান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে সেখানে লকডাউন নামক বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে না কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নে।

আমরা জানি করোনার কারণে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যেতে সরকারি ভাবে নিষেধাজ্ঞা আছে। কিন্তু কোনাখালী ইউনিয়নে দেখা যাচ্ছে তার সম্পূর্ণ বিপরীত। ভিন্ন এলাকা থেকে নানান মানুষের আগমন।

এই ইউনিয়নের মানুষ প্রতি বছরের ন্যায় ব্রিক ফিল্ডে ইট তৈরির কাজে চলে যায়।যেহেতু এই মৌসুমে ইউনিয়নে চাষাবাদ হয়নি,তাই বেশ কিছু মানুষ চলে গিয়েছিল ব্রিক ফিল্ডে। দীর্ঘ কয়েক মাস পরে কাজ শেষে দলে দলে আগমন হচ্ছে তাদের।

দেখা যাচ্ছে এই করোনা পরিস্থিতিতে সাতকানিয়া, চন্দনাইশ,বাঁশখালী সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে রাতের আঁধারে আসতেছে মানুষ। যেখানে বাঁশখালী ও সাতকানিয়াতে গত কয়েক দিন আগে পাওয়া গিয়েছে করোনা রোগী।

এলাকার সমাজিক সংগঠনের সদস্য সহ সচেতন ব্যক্তিরা তাদেরকে যত্রতত্র ঘুরাঘুরি না করার জন্য অনুরোধ করলে তাদের কোন ছাড়াই পাওয়া যাচ্ছে না। তারা বিষয়টি অবহেলা করে।অনেকে বলে থাকে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে এসেছে।বিষয়টি তারা মোটেই সিরিয়াসলি মেনে নিচ্ছে না। তাদের কে বুঝানো বড় কঠিন।

প্রশাসনের নজর ফাঁকি দিয়ে দোকানে জমায়েত হয়ে লুডু,তাস এবং আড্ডা দিচ্ছে অনেকে। এখনো কিন্তু তাদের আগমনের ১৪ দিন হয়নি।ভিন্ন এলাকা থেকে আগতদের হোম কোয়ান্টাইনে থাকা উচিত। এই বিষয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

অন্যদিকে মাতামুহুরি নদীতে ঢোকে পড়েছে ভিন্ন এলাকা থেকে পাথরের জাহাজ। যেখানে আছেন বেশ কয়েকজন শ্রমিক। তারা জাহাজ থেকে নেমে তাদের প্রয়োজনে যাচ্ছে বিভিন্ন দোকানে। প্রয়োজনের দোহাই দিয়ে যাচ্ছে অন্য এলাকায়।

করোনা হল ছোঁয়াছে ভাইরাস। আল্লাহ না করুক যদি কোনাখালী ইউনিয়নে কোন কারণে একজনই আক্রান্ত হয় তাহলে যেখানে সেখানে ঘুরাঘুরি করার কারণে সবার হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা বেশি। যেহেতু এখনো পর্যন্ত ঔষধ আবিষ্কার হয়নি,তাই আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।

আসুন আমরা সবাই সচেতন হয়ে সরকারি নিয়ম মেনে ঘরে থাকি।বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বুঝার চেষ্টা করি। নিজে সুস্থ থাকি, অন্যকে সুস্থ রাখি।সর্বোপরি আমাদের দেশটাকে করোনা মুক্ত করি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই ভয়াবহ মহামারী থেকে হেফাজত করুক।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..