বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন

পাঁচ বা দশ কেজি চাল দিয়ে কেমন যাবে?

সময়ের সংবাদ ডেস্ক
  • Update Time : মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল, ২০২০
  • ১৩৪ বার পঠিত

সজীব চন্দ্র, স্টাফ রিপোটারঃ সময়ের সংবাদ:

বাংলাদেশে করোনা প্রথম শুরু হয়েছে মার্চ ০৮, ২০২০ খ্রিঃ আর সাধারন জনগণের লকডাইন শুরু হয়েছে মার্চ ২৬, ২০২০ খ্রিঃ। প্রায় এক মাসের হলো এই লকডাইন চলছে।

সাধারণ দিনমজুর ও সপ্তাহিক মজুর যারা আছে তারা হয়তবা কিছু টাকা সঞ্চয় ছিল তা দিয়ে এক সপ্তাহ চলে গেছে যাদের পরিবাবের সদস্য সংখ্যা কম আছে যেমন তিন থেকে চার জন। আর বড় পবিবার যেমন ধরুন পাঁচ বা ছয় জন সদস্য তাদের আরো আগে শেষ হওয়ার কথা। অথবা বড় জোড় দু সপ্তাহ চলেছ।

এখুন আসা যাক এই ত্রাণ সামগ্রীতে কী ছিল? পাঁচ বা দশ কেজি চাল, এক বা দু কেজি ডাল ও তেল ও অনেকে সাথে ১ কেজি আলু বা অনন্য জিনিস দিয়েছেন। এই খাদ্য সামগ্রী দিয়ে এই ছোট ও বড় পরিবার হয়ত আর এক সপ্তাহ চলেছে অথবা অন্য কারো মাধ্যমে আবারও সহায়তা পেয়ে আরো এক সপ্তাহ চলবে। বাকি খাদ্য সামগ্রী যখন শেষ হবে তখন এই পরিবারের কী হবে? তারা কী আবারও কারো সহায়তা পাবে নাকি পাবে না? পেলে বা কত দিন পাবে? সরকার এককভাবে এই সংখ্যাক পরিবারকে কতবার দিবে? আবার যে সকল প্রতিষ্ঠান খাদ্য সামগ্রী দিচ্ছে তারা যে দেশের কী সকল জায়গা দিচ্ছে বা দিলে কত বার দেবে? ব্যক্তি উদ্দেগ্য অনেকে ৫০০, ১০০০, ১৫০০, ২০০০ বা তার ও বেশি সংখ্যাক পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দিয়েছেন তারা বা আর কত বার দিবে? বর্তমানে বাংলাদেশে দিন দিন করোনার যে প্রাদুর্ভাব যে ভাবে বেড়ে চলছে এতে হয়ত আগামী রোজার ঈদ পর্যন্ত এই লকডাইন চলবে। তাহলে আগামী এক মাসে এই সকল পরিবারের কী ভাবে পূরণ করবে তাদের এই মৌলিক চাহিদা?

গত সপ্তাহে পত্রিকাতে দেখলাম সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় পৌর এলাকায় এক শিশু খাদ্যর অভাবে আত্মহত্যা করেছে ।

এরুপ না খেয়ে মারা যাওয়ার তথ্য পাওয়া যাবে সারা দেশে । এক পর্যায়ে খাদ্যর অভাবের কারণে গ্রাম ও শহর এবং পাড়ায় পাড়ায় শুরু হবে চুরি, ছিনতাই, দল বেধেঁ ডাকাতি। একে তো করোনার ভয় তারপর আবার এরুপ অস্থিরতা। তাহলে কী ভাবে এই দুর্যোগ মোকাবেলা করব?

বাংলাদেশে বেশির ভাগ এলাকায় একটা সমাজ ব্যবস্থা রয়েছে । এই সমাজে জনসংখ্যার ভিক্তিতে পরিবার সংখ্যা আছে । এই সমাজে নেতৃত্ব প্রদান করার জন্য কিছুব্যক্তি নিয়ে গঠিত কমিটি রয়েছে। যারা কিনা সমাজে ভালো মন্দ বিচার করে এবং সমাজের মানুষ যে কোন সমস্যায় প্রথমে তাদের উপর আস্থা রাখেন এবং তারা যে সমাধান দেন তা গ্রহণ করেন। দেশের এই মূহুর্তে যদি এই সমাজের ব্যক্তিগণ একত্রে হয়ে সমাজের প্রতিটি পরিবারের মধ্য থেকে চাহিদার ভিক্তিতে একটা তালিকা তৈরি করে, তাদের খাদ্য অভাব মেটানোর জন্য সমাজের বিত্তবান ব্যক্তির সহায়তা এবং যাকাতের অর্থ সমাজের একত্রে জমা করে, তাহলে এই দুর্যোগকালীন সময়ে খাদ্যর সমাধান করা যাবে । দ্বিতীয়ত, প্রতিটি সমাজে একটি করে বংশ পরিচিতি বা নিকটবর্তী আত্মীয়-স্বজন রয়েছে। যারা কিনা তাদের বংশ বা নিকটবর্তী আত্মীয়-স্বজনদের মধ্য যারা খাদ্যর অভাবে রয়েছে, তাদের সহায়তা করে এই দুর্যোগকালীন সময়ে খাদ্যর সমাধান করা যাবে।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..