মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১১:৩২ অপরাহ্ন

‘ আমাক একখান কোম্বোল কিনা দ্যান ’

admin
  • Update Time : শনিবার ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ২২৭ বার পঠিত

 গোলাম মোস্তফা, নিজস্ব প্রতিবেদক, সময়ের সংবাদ:
শৈত প্রবাহের সঙ্গে কনকনে বাতাশ শীতের তীব্রতা বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। উপযুক্ত গরম কাপর ছাড়া স্বাভাবিক জীবনযাপন যেন কোনভাবেই সম্ভব নয়। অথচ এমন হার কাপানো শীতেও আলেকা-আমেনাদের পরনের কাপরটুকোই একমাত্র ভরসা।
উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের ঝুরঝুরি গ্রামের মৃত শুকুর আলী ফকিরের স্ত্রী আলেকা খাতুন (৫০) ও তাড়াশ পৌর এলাকার বোয়ালিয়া গ্রামের মৃত কোরবান মন্ডলের মেয়ে আমেনা খাতুন (৫২)। আলেকা খাতুন শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে বেশিরভাগ সময় তাড়াশ পৌর শহরের বিভিন্ন বাসাবাড়ি বা হোটেল রেস্টুরেন্টে ভ্রাম্যমান দিনমজুরের কাজ করেন। আমেনা খাতুন আংশিক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। প্রায়দিনই একটু খাবারের সন্ধানে তাড়াশ বাজারে চলে আসেন। তাদের পরিচিত কাউকে দেখলেই বলতে শোনা যায় ‘ আমাক একখান কোম্বোল কিনা দ্যান ’।
আলেকা ও আমেনা খাতুন আরও বলেন, শীত যত প্রকট আকারই ধারন করুক শুধুমাত্র পরনের কাপরই তাদের ভরসা। তাদের দিকে কেউ ফিরেও তাকায় না। আর তাদের কষ্ট দেখেও কারোর আপসোস হয়না। একটি কম্বলের জন্য যে তারা কত মানুষকে বলেছেন ! দিন কোনমতে কেটে গেলেও পুরনো কাঁথা জড়িয়ে শীতের দীর্ঘ রাত যেন পোহাতেই চায়না। দিন-রাত শীতের কষ্টে তাদের শরীরে প্রায় সারাক্ষণ শীতজনিত অসুখ লেগেই থাকে। উপজেলা জুড়ে অনেক দরিদ্র মানুষ আছেন যারা গরম কাপড়ের অভাবে তাদের মতোই শীতে কষ্ট পাচ্ছেন।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. ওবায়দুল্লাহ জানিয়েছেন, সরকারিভাবে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় তা অপ্রতুল। শিগগিরই আরও কিছু কম্বল বিতরণ করা হবে।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..