সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন

News Headline :
তাড়াশে গোপনে ম্যানেজিং কমিটি করার অভিযোগ শপথ নিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য শরিফুল ইসলাম তাজফুল তাড়াশে সুফলভোগীদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে কৃষকের মাঝে কৃষি যন্ত্রপাতি ও কৃষি উপকরণ বিতরণ  তাড়াশে ৫১তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে সরকারি খাস জায়গা অবৈধভাবে দখল করে দোকান ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তাড়াশে মাধাইনগর ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগের ত্রি- বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত তাড়াশে ৩টি ওয়ার্ড যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত তাড়াশে সরকারি খাস জায়গা অবৈধভাবে দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ হলেন তাড়াশের মাধাইনগর ইউনিয়ন পরিষদ

ভরা মৌসুমেও মাছের সংকটে চলনবিলের শুটকি ব্যবসায়িরা

admin
  • Update Time : শনিবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ২০৭ বার পঠিত

গোলাম মোস্তফা, নিজস্ব প্রতিবেদক, সময়ের সংবাদ:
মৎস্য ভান্ডার খ্যাত চলনবিলে ভরা মৌসুমেও দেশীয় মাছের সংকটে লোকসানে পড়েছেন চলনবিলাঞ্চলের শুটকি ব্যবসায়িরা। মাছের অভাবে তাড়াশ, গুরুদাসপুর ও চাটমোহর উপজেলার বেশিরভাগ শুটকির চাতাল এখনও বন্ধই রয়ে গেছে।
শুটকি ব্যবসায়ি দেলোয়ার হোসেন, আব্দুর রহিম, আব্দুল কাদের, হারেচ আলী, শামছুল হক প্রমূখ জানান, স্থানীয়দের পাশাপাশি তাদের অনেকেই বিভিন্ন জেলা থেকে চলনবিল অঞ্চলে এসে বর্ষা মৌসুমে ব্যবসা করে থাকেন। এবছরও তারা অন্যের জায়গা ভাড়া নিয়ে শুটকির চাতাল করে বসে আছেন মাছের অপেক্ষায়। তবে এখনও পর্যন্ত কাঙ্খিত মাছের দেখা মিলছে না। ২/৪ জন সামান্য পুঁটি মাছ শুকানোর মধ্য দিয়ে শুটকির ব্যবসা শুরু করেছেন মাত্র।
এদিকে শুটকি শ্রমিক কোরবান আলী, আব্দুস সবুর, রাহেলা, কদভানু, খইমন, আয়শা ও রাকিলা জানান, বর্ষা মৌসুমে শুটকির চাতালে কাজ করে স্থানীয় বেশকিছু সংখ্যক মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। বিলের পানিতে মাছের দেখা না পাওয়ায় ঐসব দরিদ্র শ্রেণির মানুষের বেশিরভাগই অলস সময় পার করছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের পাশে তাড়াশের মহিষলুটি এলাকার একটি শুটকির চাতালে সামান্য কিছু পুঁটি মাছ দিয়ে ব্যবসা শুরু করেছেন দেলোয়ার হোসেন নামে ঐ ব্যবসায়ি। সেখানে কাঁচা মাছ শুকানোর শতাধিক বানার মধ্যে মাত্র ৪/৫টি বানায় কিছু মাছ শুটকি করা হচ্ছে। বাকি সবগুলো বানাই মাছের অভাবে ফাঁকা পড়ে আছে।
এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা তাড়াশ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান সময়ের সংবাদকে বলেন, কাঁচা মাছের সংকটে শুটকির ব্যবসায়িরা লোকসান গুণছেন। চলনবিলে দ্বিতীয়বারের মতো পানি আসতে শুরু করেছে। শেষ পর্যন্ত ব্যবসায়িরা আশানুরুপ মাছের দেখা পেলে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সক্ষম হবেন।

Please follow and like us:

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর..